শ্রম সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট পর্যালোচনা করতে অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হবে উল্লেখ করে শ্রম কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, তাদের সুপারিশের ভিত্তিতে কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে আশাবাদী। তবে বাস্তবায়নে কোনো টাইম ফ্রেম বেঁধে দিতে চাই না।
বুধবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে নৌ পরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদন বিষয়ক এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
শ্রম উপদেষ্টা বলেন, শ্রম মন্ত্রণালয়ে আমরা একটা ইন্টারনাল কমিটি করবো। এই কমিটি সবকিছু বিবেচনা করে কাজ করবে। আমাদের আর্থসামাজিক ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে যতটুকু বাস্তবায়ন করা যায় তার সবই করা হবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধান উপদেষ্টা কী বললেন, তার জন্য অপেক্ষা না করে আমরা পূর্ণাঙ্গ এই রিপোর্ট নিয়ে কাজ করবো।
শ্রমিকদের মজুরি বোর্ডের প্রয়োজন আছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, আমি শুনেছি ট্যানারি মালিকরা অনেকের বেতন বাড়িয়েছেন, আবার অনেকের বেতন বাড়াননি। পুরো বিষয়টা নিয়ে আমরা কাজ করবো।
তিনি আরো বলেন, আমি শ্রমিকদের পক্ষ নিয়েছি। সে কারণে মালিকদের অনেকে আমার ওপর ক্ষেপা । অনেক ম্যাসেজ পাই।
এদিকে শ্রম সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের ৮৫ ভাগ শ্রমিক আইনি সুরক্ষার বাইরে। তাদের সামাজিক নিরাপত্তা নেই। সকল শ্রমিককে ন্যূনতম আইনের সুরক্ষার মধ্যে আনতে হবে।
কুয়েটের ৩৭ শিক্ষার্থীর সাময়িক বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার