ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ছোট করে দেখছে না জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের মতোই এতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ভোটের পরিবেশ নষ্ট হওয়ার মতো কোনো প্রমাণ পায়নি। কমিশন নির্বাচনকে স্বচ্ছ ও সবার কাছে দৃশ্যমান করার পাশাপাশি ভোটের লড়াইকে উৎসবে পরিণত করে সুষ্ঠু নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চায়।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ডিজিটাল মনিটরিংয়ের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ চার কমিশনার ও ইসি সচিব। পর্যবেক্ষণ শেষে বেলা সোয়া ১১টার দিকে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান সিইসি।
নাসির উদ্দীন বলেন, আমরা স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করি। সবকিছু সবার কাছে দৃশ্যমান করতে চাই। ঠাকুরগাঁও নির্বাচনকে আমরা ছোট করে দেখছি না, জাতীয় নির্বাচনের মতোই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। কোনো নেতিবাচক খবর আমরা পাইনি। সকাল থেকেই ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিতে আসছেন এবং বিভিন্ন বাহিনীর টহলও ডিজিটাল পদ্ধতিতে তদারকি করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের অভিযোগের বিষয়ে সিইসি বলেন, অগ্রিম যেসব অভিযোগ তারা করেছিলেন, সেগুলো আমলে নেওয়া হয়েছে। সে অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সব ধরনের তৎপরতা বাড়িয়েছে কমিশন। স্থানীয় রিটার্নিং কর্মকর্তারা অভিযোগকারীদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছেন।
সুষ্ঠু ভোটের পরিবেশ নিশ্চিতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়ে সিইসি বলেন, শুধু ঠাকুরগাঁও নয়, দেশের প্রতিটি নির্বাচনে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ তৈরি করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিরপেক্ষ থেকে দায়িত্ব পালনের আহবান জানিয়ে সবার সহযোগিতায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিজিবি ৫০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক আখলাকুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, এখন পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেক ভালো। কোথাও কোন ধরনের বিশৃঙ্খলার ঘটনা নেই।
