জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া কোনো তাড়াহুড়ো করে করা হচ্ছে না; বরং এটি অত্যন্ত স্বচ্ছ ও স্বাভাবিক আইনি গতিতেই এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তবে আগামী এক বছরের মধ্যেই জুলাই অভ্যুত্থানের এসব মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন করতে প্রসিকিউশন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বলে তিনি জানান।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর জানান, জুলাই মাসের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময়ের হত্যাযজ্ঞের মামলার পাশাপাশি বিগত সময়গুলোতে সংঘটিত গুম ও খুনের মামলাগুলোকেও প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।
পলাতক আসামিদের বিষয়ে তিনি বলেন, আইনের বিধান অনুযায়ী কোনো পলাতক আসামি আদালত থেকে কোনো ধরনের আইনি সুযোগ-সুবিধা বা প্রতিকার পাওয়ার যোগ্য নন। শেখ হাসিনাসহ যেসব মামলার রায়ের পর আপিল দায়ের করা হয়েছে, বিচারিক প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের স্বার্থে সেগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। খুব শিগগিরই আপিল বিভাগে এ সংক্রান্ত শুনানির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হবে।
একই সঙ্গে আদালতের রায়ে যেসব আসামির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশনা রয়েছে, তারা বর্তমানে পলাতক থাকা সত্ত্বেও আদালতের সেই রায় কীভাবে কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ৫৯০টি অভিযোগের মধ্যে ১০৯টি অভিযোগ তদন্ত করছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। এগুলোকে সম্মিলিতভাবে তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনা হবে।
শেখ হাসিনার স্বাভাবিক বক্তব্য প্রচারে ট্রাইব্যুনালের কোনো বাধা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, তবে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচার করা যাবেনা।
