রাজধানীতে চলতি শীত মৌসুমে কিউলেক্স মশার বিস্তার ঠেকাতে ৯২৫টি হটস্পট চিহ্নিত করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।
নগর প্রশাসনের আওতাভুক্ত জায়গার পাশাপাশি এসব হটস্পটের অনেকগুলোই রাউজক, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ কিংবা পানি উন্নয়ন বোর্ডের।
তাই, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মশার প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত জলাশয় পরিষ্কার করার নির্দেশ দিয়েছে উত্তরের নগর প্রশাসন।
প্রতি বছরই শীতের আগে আগে, রাজধানীজুড়ে বেড়ে যায় কিউলেক্স মশার উপদ্রব। পচা পানিতে এই মশা দ্রুত বংশ বিস্তার করে। ফলে, রাজধানীর খাল, জলাশয় ও ড্রেনগুলোই হয়ে উঠে কিউলেক্সের অভয়ারণ্য।
ডেঙ্গুর ভয়াল এক মৌসুম শেষ না হতেই শুরু হয়েছে, কিউলেক্স মশার যন্ত্রণা। ফলে কিছুটা আগাম সতর্ক ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।
নিজস্ব জরিপের ভিত্তিতে উত্তরের ৯২৫টি স্পটকে কিউলেক্স মশা জন্মানোর সহায়ক স্থান হিসেবে চিহ্নিত করেছে উত্তরের নগর প্রশাসন।
যার মধ্যে ঢাকা উত্তরের আওতাভুক্ত স্পট ৫৬১টি, বাকিগুলো রাজউক, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যাক্তি মালিকানাধীন।
মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানের নগর ভবনে বিভিন্ন সংস্থা ও দপ্তর প্রধানদের নিয়ে মশক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত এক সভায় উত্তর সিটির মেয়র আতিকুল ইসলাম আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সব জলাশয় থেকে কচুরিপানা পরিষ্কারের নির্দেশ দেন।
মশা নিধনে ২২ থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশেষ অভিযান পরিচালনা করার কথা জানিয়ে মেয়র বলেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নিজেদের ঘরবাড়ি ও আশেপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
আরও পড়ুন: মুরাদের পদত্যাগ পত্র গ্রহণ রাষ্ট্রপতির
‘দশটায় ১০ মিনিট প্রতি শনিবার, নিজ নিজ বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’ এই স্লোগান বাস্তবায়নে নগরবাসীর প্রতি আহবানও জানান, আতিকুল ইসলাম।
সেই সঙ্গে মশা নিধনে সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত হয় বৈঠকে, নইলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানান উত্তরের মেয়র।
