ঈদযাত্রার প্রস্তুতি নিচ্ছে নৌ রুটের লঞ্চ-ইস্টিমারগুলো। পুরনো ঢাকার সদরঘাট ও কেরানীগঞ্জের ডক ইয়ার্ডগুলোতে চলছে লঞ্চ রঙ করা আর ছোট-খাটো ত্রুটি সারাইয়ের কাজ।
মালিকরা বলছেন, দুর্ঘটনা মোকাবেলায় এবার থাকছে সব প্রস্তুতি। হালনাগাদ করা হচ্ছে আগুন নেভানোর যন্ত্রপাতি। ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করার সব প্রস্তুতিই নেয়া হচ্ছে।
তবে, লঞ্চ ভ্রমণে জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে টিকেট কাটার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন ধরনের নির্দেশনা বা চিঠি পাননি মালিকরা।
করোনার দুই বছরের ক্ষতি পুষিয়ে এবার নতুন উদ্যোমে ঈদ যাত্রার প্রস্তুতি নিতে ব্যস্ত লঞ্চের মালিক শ্রমিকরা। লঞ্চের ঈদ যাত্রার চাপ পড়েছে কেরানীগঞ্জের ডক ইয়ার্ডগুলোতেও।
ঢাকা-বরিশাল-ভোলাসহ দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথের যাত্রীদের ঈদযাত্রা নিরাপদ করার প্রস্তুতি চলছে। শ্রমিকরা বলছেন, দীর্ঘদিন পর এবার তাদের ঈদটাও আনন্দে কাটবে। সারাই কাজ কাজ শেষ হতে লাগবে দশ দিন। তারপরই প্রস্তুত হবে লঞ্চগুলো।
এবার দক্ষিণাঞ্চলের নৌপথে যুক্ত হচ্ছে অনেক নতুন লঞ্চটি। প্রায় ৩০ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক সব লঞ্চ। মালিকরা বলছেন ঈদের আগেই শতভাগ প্রস্তুতি নিয়েই তারা যাত্রী সেবা নিশ্চিত করবেন।
যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবার পর্যাপ্ত বয়া আর লাইফ জ্যাকেটসহ প্রস্তুত রাখা হয়েছে নিরাপত্তা সরঞ্জাম। আগুনের দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আলাদাভাবে ডেকে লাগানো হচ্ছে পানি ছিটানোর পাম্প মেশিন।
আরও পড়ুন: উল্লাপাড়ার সব সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলি
জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে টিকেট কিনতে হবে, এমন একটি ঘোষণা শোনা গেলেও এ বিষয়ে এখনও কোন নির্দেশনা পাননি মালিকরা। আর যাত্রীদের অভিযোগ ঈদযাত্রার জন্য এখনই লঞ্চের কোন কেবিন মিলছে না।
বিআইডাব্লিউটিএ বলছে সদরঘাটের কাউন্টারগুলো থেকেই যাত্রীরা যাতে টিকিট কিনতে পারেন সেই নির্দেশনা দেয়া হবে লঞ্চ মালিকদের।
একাত্তর/আরএ
