সন্দেহভাজন ধরা পরলেও হত্যাকাণ্ডের এক মাসেও শাহজাহানপুরে গুলিতে নিহত টিপু হত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, পিস্তলসহ আলামত জব্দে কোনো অগ্রগতি নেই।
মামলার বাদী, টিপুর স্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত খুনের মাস্টারমাইন্ড বা শ্যুটার আকাশকে কে ভাড়া করলো সে সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
স্কুল মাস্টার মোবারক হোসেনের মাদারটেকের বাড়িটি বরাবরাই এলাকার মানুষের কাছে রহস্যময়। ছাপড়া মসজিদের এই গলির কেউ কখনও তাদের বাড়ির ভেতরে যাননি।
প্রতিবেশীদের বিয়ে-জন্মদিনের অনুষ্ঠানের নিমন্ত্রণেও কখনও মোবারক, তার স্ত্রী বা তিন সন্তানের কাউকে পাওয়া যায়নি।
এমন আড়ালে থাকা পরিবার এখন আলোচনার বিষয়। কারণ, এক ভিডিওতে জাহিদুল ইসলাম টিপুকে টার্গেট করে গুলি ছুড়ছে যে যুবক- আকাশ, আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনীর হাতে ধরা পরার পর শ্যুটার আকাশ হিসাবে যার নাম বেরিয়েছে তিনি মোবারক হোসেনের ছোট ছেলে।
দু’কথায় মোবারক হোসেন জানালেন, উকিল পরিচয়ে যিনি ফোন করেছেন, তিনি তার অচেনা। তারা কাউকে নিয়োগ করেননি। সন্তানের খবরও নেননি। তবে, কে যেনো মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন, ঈদের পর তার সন্তানের জামিনের ব্যবস্থা করা হবে।
এদিকে, এখনো শোক সামলে ওঠতে পারেনি টিপুর পরিবার। ফারহানা ইসলাম ডলি বলছেন, অন্তত বিচার হলে একটা সান্ত্বনা মিলতো।
গত ২৪ মার্চ রাত ৯টা ৫০ মিনিটে নিজের গাড়িতে বসা অবস্থায় গুলিতে নিহত হন টিপু। ২৪ ঘন্টার মধ্যে পাওয়া যায় তার ভিডিও ফুটেজ।
সপ্তাহখানেকের মধ্য বগুড়া থেকে মূল শ্যুটার হিসাবে আকাশকে ধরে র্যাব। তার জবানিতে ধরা পরে আরও চার জন- ওমর ফারুক, আবু সালেহ শিকদার, নাছির উদ্দিন, মোরশেদুল আলম। মামলার তদন্তকারী ডিবি পুলিশ জানিয়েছে- নতুন কোনো অগ্রগতি হলে জানানো হবে।
একাত্তর/এআর
