তুরস্ক থেকে বাংলাদেশে আসা ব্যক্তি মাঙ্কিপক্সে আক্রান্ত নয় বলে ধারণা করছে আইইডিসিআর। প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে তারা বলছে, ঐ ব্যক্তি চর্মরোগে আক্রান্ত হতে পারেন।
তবে আরও কিছু পরীক্ষার পরই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, বাংলাদেশে এখনও মাঙ্কি পক্সে আক্রান্ত কোন রোগী মেলেনি।
তুর্কী নাগরিক আক্কোশ আলতে মঙ্গলবার (৭ জুন) একটি ফ্লাইটে ঢাকায় আসেন। তার শরীরে কিছু উপসর্গ থাকায় তাকে মাঙ্কিপক্স আক্রান্ত বলে সন্দেহ করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের।
তখনি তাকে রাজধানীর মহাখালীতে সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে পাঠিয়ে আইসোলেশনে রাখা হয়। আর তার নমুনা পাঠানো হয় আইইডিসিআর-এ।
তবে, আপাতত শঙ্কা নেই বলছে কর্তৃপক্ষ। তার শরীরে যা দেখা গেছে, তা আসলে এক ধরনের চর্মরোগ। মাঙ্কিপক্স ছড়িয়ে পড়া কোনো দেশেও যাননি তিনি।
আইইডিসিআর পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরিন বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক হতে এখন থেকেই সতর্ক থাকতে হবে। উপসর্গ থাকলে, নিজ থেকেই যেতে হবে আইসোলেশনে।
এদিকে, এখন পর্যন্ত বিশ্বের ৩০টিরও বেশি দেশে মাঙ্কিপক্স ছড়িয়েছে। রোগীর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭০০। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে সতর্কতাই মাঙ্কি পক্স ঠেকানোর প্রথম পদক্ষেপ।
তাই বিশ্বের সব দেশকেই তার স্থল ও বিমান বন্দরগুলোতে সতর্কতা বজায় রাখতে হবে। তুর্কি নাগরিকের মতো সন্দেহজনক মনে হলে তাদের হাসপাতালে আইসোলেশানে রাখতে হবে।
আরও পড়ুন: চমেকে স্বজনের খোঁজে এখনো ছবি নিয়ে ঘুরছেন অনেকে
চিকিৎসক ডা: তাজুল ইসলাম বারী জানান, মাঙ্কিপক্সে সাধারণত জ্বর, গা ব্যথা,ঠাণ্ডা ও ক্লান্তির অনুভূতি হয়। মুখে ও হাতে ফুসকুড়ি দেখা দেয়।
পানিযুক্ত এই ফুসকুড়ি সারা শরীরে ছড়াতে পারে। আর অতীতের গুটিবসন্তের টিকা মাঙ্কিপক্সের ক্ষেত্রেও প্রতিরক্ষার কাজ করে।
তিনি আরও বলেন, সতর্ক থাকতে হবে স্বাস্থ্যকর্মীদের। ঝুঁকি থাকলে নিতে হবে প্রয়োজনীয় টিকা। উপসর্গ দেখলেই, চিকিৎসকের পরামর্শে রোগ নির্ণয় করে, চিকিৎসা নিতে হবে।
একাত্তর/এসজে
