মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জন্য বজলুর রহমান স্মৃতি পদক অর্জন করলেন একাত্তর টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার পার্থ সঞ্জয়।
শুক্রবার (২৯ জুলাই) রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সাংবাদিকতার জন্য ‘বজলুর রহমান স্মৃতি পদক ২০২১’ শীর্ষক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পদক ও পুরস্কার দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।
পদক প্রদান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জুড়ি বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরের ট্রাস্টি ডা. সারওয়ার আলী, সারা জাকের। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি জুড়ি বোর্ডের আরেক সদস্য সেলিনা হোসেন।
অনুষ্ঠানে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া এই দুটি ক্যাটাগরিতে পদক দেওয়া হয়। ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় পার্থ ছাড়া প্রিন্ট ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে দৈনিক সমকাল ও দৈনিক প্রথম আলোরসহ তিনজন প্রতিবেদক ও গবেষক এই পুরস্কার পান।
প্রিন্ট ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে পুরস্কার পেয়েছেন- কথাসাহিত্যিক শাহাদুজ্জামান, ড. খায়রুল ইসলাম এবং সাংবাদিক আবু সালেহ রনি।
অনুষ্ঠানে ক্রেস্টসহ পুরস্কার হিসেবে পার্থ সঞ্জয়কে এক লাখ টাকা, যৌথভাবে শাহাদুজ্জামান ও ড. খায়রুল ইসলামকে ৫০ হাজার ও আবু সালেহ রনিকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়।
আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার দীর্ঘ ত্যাগ-তিতীক্ষার অখণ্ডিত এবং সত্য ইতিহাস সংরক্ষণে এমন অনুসন্ধানী প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আরও পড়ুন: ঢাকায় ভারতের নতুন হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা
সভাপতির বক্তব্যে অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, মুক্তিযুদ্ধ একটি চলমান যুদ্ধ। আমরা একাত্তরে সশস্ত্র যুদ্ধ করেছি। এখন কথা-কাজে, চিন্তা দর্শনে আচরণে মুক্তিযুদ্ধ চলমান। এটা থাকবে। আজকে তরুণরা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ভাবে, লেখে এবং গবেষণা করে এটা পরম আনন্দের। এভাবেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধ ও এর চেতনা প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে যাবে।
উল্লেখ্য, গত বছর একাত্তর টেলিভিশনে ‘একাত্তরের বসুবাহিনী’ নামে প্রচারিত তিন পর্বের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। এতে উঠে আসে কিশোরগঞ্জের হাওর অঞ্চলের স্থানীয় মানুষগুলোর যোদ্ধা হয়ে ওঠার গল্প।
একাত্তর/এসি
