রাজধানীতে চলন্ত বাস থেকে এক যাত্রীকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ওই বাসের চালক ও সহকারীকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে জনতা। পরে পুলিশ তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ জনতা বাসটি পুড়িয়ে দিয়েছেন।
শনিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শহীদ ফারুক সরণীতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যাত্রীর নাম আবু সায়েম মুরাদ (৩৫)। তিনি রাজধানীর দক্ষিণ যাত্রাবাড়ীর শহিদ ফারুক সরণী এলাকায় হেদায়েত উল্লাহর ছেলে।

আটকরা হলেন- বাসের চালক শাহ আলম (৪০) ও সহকারী মোহন (২২)।
নিহতের বড়ো ভাই আবু সাদাদ সাহেদ জানান, মুরাদ মতিঝিলে একটি বায়িং হাউজে চাকরি করতেন। দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়।
তিনি বলেন, মুরাদ ওই বাসে চড়ে বাসায় ফিরছিল। বাসটির সহকারী এক যাত্রীর কাছ থেকে বেশি ভাড়া নিলে তিনি এর প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিতর্ক হয়।
বাসের অন্য যাত্রীদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, যাত্রাবাড়ী নামার সময়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়া হয়। তখন ওই বাসের পেছনের চাকা মুরাদের মাথার ওপর দিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন: চাকরি হারাবেন জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ে জড়িতরা: নসরুল হামিদ
যাত্রাবাড়ী থানার উপ পরিদর্শক এসআই আশরাফুল ইসলাম জানান, বাসটি আট নম্বর রোডের। গাবতলী থেকে যাত্রাবাড়ী যায়। বাসের সহকারী ও চালককে আটক করা হয়েছে। মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।
একাত্তর/এসি
