ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাসের আগাম টিকিট বিক্রির দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর কাউন্টারগুলোতে যাত্রীদের চাপ ছিলো খুবই কম। বাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখন ঘরে বসে অনলাইনেই টিকেট কাটার সুবিধা রয়েছে বলে কাউন্টারে যাত্রীদের চাপ কম।
তবে প্রাইভেট সেক্টরে যারা চাকরি করছেন তাদের বেতন হলে, যাত্রীর চাপ বাড়তে পারে বলেও মনে করছেন তারা। এবার যেহেতু ঈদের ছুটি কম তাই শেষ দিকে যাত্রীদের চাপ ও ভোগান্তি বাড়তে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।
শ্যামলী ও কল্যাণপুরের মতো গাবতলী বাস টার্মিনালেও যাত্রীর চাপ কম থাকায় হতাশ কাউন্টার সংশ্লিষ্টরা। তবে তারা বলছেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় পাটুরিয়ায় এবার যানজট কম হবে। ফলে উত্তরবঙ্গমুখী ঈদযাত্রায় যানজটের হবার সম্ভাবনা কম।
কাউন্টার কর্মীরা জানান, যে কয়েকজন টিকিটের জন্য আসছেন, তাদের মধ্যে ১৭ এপ্রিল থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত টিকেটের চাহিদাই বেশি দেখা যাচ্ছে। যাত্রীরা এখন অনলাইনেই টিকিট কাটছেন। আর যারা আসছেন, তারা ২০ এপ্রিলের টিকিটই বেশি চাইছেন।
যদিও অনেক যাত্রীর অভিযোগ, কিছু কাউন্টারে নির্ধারিত সময়েও টিকিট বিক্রি শুরু না হওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। অন্য দিনগুলোর তুলনায় ১৯ ও ২০ তারিখের টিকিটের চাহিদা বেশি। কাউন্টার ম্যানেজাররা দাবি করেন, ঈদের জন্য কোন বাড়তি ভাড়ায় আদায় করা হচ্ছে না।
আরও পড়ুন: দ্বিতীয় দিনে ট্রেনে এক আসনের বিপরীতে ৪৭ জনের চেষ্টা
এদিকে, নির্ধারিত দামে টিকেট বিক্রি হচ্ছে কিনা, তা দেখতে শনিবার সকালে অভিযানে যায় বিআরটিএর ভ্রাম্যমাণ আদালত। মালিক সমিতি প্রতি কাউন্টারে ভাড়ার তালিকা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। নির্ধারিত এই ভাড়ার চেয়ে বেশি নিলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঈদ যাত্রা ভোগান্তিহীন ও নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতির আশ্বাসও দেন তারা।
একাত্তর/এসজে
