এক দশক আগে সাভারে রানা প্লাজা ধসে ১১৩৬ জন নিরীহ মানুষ হত্যার দায়ে ওই ভবনের মালিক সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি উঠেছে একটি মানববন্ধন থেকে।
গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের ব্যানারে রোববার সকালে হাইকোর্টের সামনে এই মানববন্ধন করেন তারা।
রানা প্লাজা দুর্ঘটনার দশ বছর পরও সোহেল রানার শাস্তি না হওয়ায় ক্ষোভ জানান তারা।
মানববন্ধনে তারা বলেন, এই মামলায় সুষ্ঠু বিচার না হলে পোশাক শিল্পে মানুষের কাজের আগ্রহ থাকবে না।
এসময় তারা কর্মস্থলে শ্রমিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ সকল প্রতিষ্ঠানে শ্রমিক নির্যাতন বন্ধেরও দাবি জানান।
২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল সাভার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ১০ তলা রানা প্লাজা ভবন ধসে পড়ে। ওই ভবনে থাকা কয়েকটি পোশাক কারখানার হাজার হাজার শ্রমিক চাপা পড়েন।
সারাবিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ওই ভবন ধসে ১ হাজার ১৩৬ জনের মৃত্যু হয়। জীবিত উদ্ধার করা হয় ২ হাজার ৪৩৮ জনকে। প্রায় দুই হাজার শ্রমিক আহত ও পঙ্গু হয়ে গেছেন।
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পথে ঘটনার পাঁচদিন পর সোহেল রানাকে যশোরের বেনাপোল থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব।

ভবন নির্মাণে অবহেলা ও ত্রুটি জনিত কারণে বিপুল সংখ্যক মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগে রানার বিরুদ্ধে মামলা করেন সাভার থানার তখনকার উপ-পরিদর্শক ওয়ালী আশরাফ। এছাড়া আরও কয়েকটি মামলায়ও গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল রানাকে।
আরও পড়ুন: আফতাবনগরে নতুন পাসপোর্ট অফিসের কার্যক্রম চালু
গত মাসে সোহেল রানাকে হাই কোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করে দেন আপিল বিভাগের চেম্বার জজ।
একাত্তর/আরবি
