সাম্প্রতিক সিটি নির্বাচনে নিরপেক্ষতা জাতীয় নির্বাচনে খুব বেশি প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, দুই নির্বাচনের প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য আলাদা।
সংসদ নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক ও ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনতে রাজনৈতিক সমঝোতার বিকল্প নেই। তাই দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলোকে এগিয়ে আসার তাগিদ দিচ্ছেন তারা।
মোটা দাগে শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হলো বরিশাল ও খুলনা সিটির নির্বাচন। বিশদিন আগে হয়ে যাওয়া গাজীপুর সিটি নির্বাচনও সুষ্ঠ ভাবেই শেষ হয়। কোন গোলযোগের ঘটনা ঘটেনি।
সব মিলে বড় তিনটি সিটি নির্বাচনে সফলভাবে শেষ হওয়ায় সন্তুষ্ট নির্বাচন কমিশন। তারা আশা করছেন, সামনের সবগুলো সিটি নির্বাচনও সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে। ভোটের উৎসব হবে।
তবে একটি বিষয় চোখে পড়েছে। গেলো কয়েকটি নির্বাচনেই ভোটারদের উপস্থিতির হার কমেছে। এজন্য অংশগ্রহণমূলক অর্থাৎ সব দল নির্বাচনে না আসাকে দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তারা স্বীকার করছেন, এখানে নির্বাচন কমিশনের তেমন কিছু করার নেই। তবে সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার পর্যবেক্ষন আর ইভিএম নতুন ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে।
কিন্তু নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কমিশনের ভূমিকাকে এখনও শক্ত বলে মনে করছেন না স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ তোফায়েল আহমেদ ও সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন।
বড় দুই দলের ছাড় না দেবার প্রবণতা আর মুখোমুখী অবস্থানকে আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য শঙ্কার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যা রাজনৈতিক ভাবেই সমাধান করার কথা বলছেন তারা।
এরই মধ্যে পশ্চিমাদের চাপ বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও জাপানের বিভিন্ন মন্তব্যকে ঘিরে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য চাপ বেড়েছে।
তবে, বিদেশিদের চাপে নয় বরং নিজেদের স্বার্থেই একটি অংশগ্রহনমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের উপর জোর দিয়েছেন স্থানীয় সরকার ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা।
একাত্তর/এআর
