রাজধানীর উত্তর ও দক্ষিণ সিটির ৫৪ ওয়ার্ডের শতভাগ বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বৃষ্টি উপেক্ষা করেই পশু কোরবানি করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। এরপর দুপুরের আগেই নির্ধারিত স্থানে পশুর বর্জ্য ব্যাগভর্তি করে রাখেন অনেকে। দুপুরে বর্জ্য অপসারণের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন দুই মেয়র। পরে পশুর বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু করেন সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নকর্মীরা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ঘোষণা অনুসারে, তারা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব বর্জ্য অপসারণ করতে চায়। এক্ষেত্রে উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ঘোষিত সময়সীমা ৮ ঘণ্টা।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) থেকে পাওয়া তথ্যমতে —১০, ৫৩, ৩৮, ৪১, ৩৭, ৪৩, ২৬, ১৬, ৯, ১০, ১৬, ২৪, ২৬, ৩০-৩২, ৩৫-৩৮, ৪১, ৫১, ৫৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে শতভাগ কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী—১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ১০, ১১, ১২, ১৭, ১৯, ২২, ২৩, ২৪, ২৬, ২৭, ২৮, ৩২, ৫১, ৫২, ৫৩, ৫৪, ৪৪, ৪৫, ৪৬, ৩৯, ৩৭, ৩৮, ৪১ এবং ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের শতভাগ বর্জ্য অপসারণ সম্পন্ন হয়েছে।
বর্জ্য অপসারণের কাজে ডিএসসিসি ১০টি পে-লোডার, ৪টি ব্যাকহো-লোডার, ৯টি স্কিড লোডার, ৭টি টায়ার ডোজার, ৩টি চেইন ডোজার, ৯৬টি ডাম্প ট্রাক, ৫৩টি কম্প্যাক্টর ও ৯টি ওয়াটার ট্যাঙ্কারসহ ৩৫৭টি বিভিন্ন ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করছে।
ডিএনসিসি এলাকায় বর্জ্য অপসারণে কাজ করছে ৬টি এক্সকেভেটর, ৪টি চেইন ডোজার, ২টি টায়ার ডোজার ও ১টি পে-লোডার।
এছাড়া বর্জ্য অপসারণ প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে ২ সিটি করপোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। বর্জ্য অপসারণে ডিএসসিসির প্রায় ৯ হাজার এবং ডিএনসিসির ১০ হাজার কর্মী সক্রিয়ভাবে নিয়োজিত আছেন।
কোরবানির বর্জ্য অপসারণে সহায়তার জন্য দুই সিটিতেই খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ।
ডিএনসিসি এলাকায় কোথাও কোরবানির বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখলে নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ১৬১০৬ ও ০২-৫৫০৫২০৮৪ নম্বরে ফোন করে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: হাসপাতালে গরুর শিংয়ের গুতো, চাকু ফসকে আহতদের ভিড়
আর ডিএসসিসি কোথাও বর্জ্য পড়ে থাকতে দেখলে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ০১৭০৯৯০০৮৮৮ ও ০২২২৩৩৮৬০১৪ নম্বরে ফোন করে অবহিত করার অনুরোধ করেছে।
একাত্তর/আরএ
