রাজধানীর কুর্মিটোলায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেল চালক ও এক আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে এক শিশু।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের বিপরীত পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নিহত মোটরসাইকেল আরোহী জান্নাতুল ফেরদৌস জান্নাতি (২০) এবার কুর্মিটোলা স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দেন।
আর মোটরসাইকেল চালক শামীম মৃধা (৩৫) তার চাচাতো ভাই। তিনি শুক্রবার বেলা ১১টায় ঢামেকে মারা যান। আহত সাদিয়া (৮) শামীমের ভাগ্নি। সে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নিহত জান্নাতির বড় ভাই রাহাত হোসেন বলেন, কুড়িল বিশ্বরোডে তার বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন চাচাতো ভাই শামীম, বোন শারমিন, দুলাভাই সাইফুল ইসলাম ও তাদের মেয়ে সাদিয়া। জান্নাতিকে নিয়ে তারা ভাষানটেকে শারমিনের মামাশ্বশুরের বাসায় যাচ্ছিলেন।
এসময় একটি মোটরসাইকেলে ছিলেন শারমিন ও তার স্বামী এবং অপরটিতে ছিলেন শামীম, জান্নাতি ও সাদিয়া। পথে দ্রুতগতির একটি প্রাইভেট কার শামীমদের মোটরসাইকেলটিকে পিছন থেকে ধাক্কা দিলে রাস্তায় ছিটকে পড়ে তিনজনই গুরুতর আহত হন।
গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে প্রথমে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে তাদেরকে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভোর চারটার দিকে জান্নাতিকে ও বেলা ১১টার দিকে শামীমকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মাসুদ মিয়া বলেন, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বনানী থানায় অবগত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: ঈদের পরদিন চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়
নিহত জান্নাতি বরগুনা উপজেলার বিবি চিনি গ্রামের ইলেকট্রিক ঠিকাদার বাহা উদ্দিনের মেয়ে। তিনি ১৬৬৬ কুড়িল বিশ্বরোড এলাকায় পরিবারের সাথে থাকতেন।
আর শামীম একই গ্রামের সোহরাব মৃধার ছেলে। তিনি সদরঘাট এলাকায় থাকতেন ও ডিপিডিসির এক ঠিকাদারের অধীনে লাইনম্যানের চাকরি করতেন।
একাত্তর/এসজে
