মগবাজারে বিস্ফোরণকাণ্ডে নিহত ছয় জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে চারজনের ময়নাতদন্ত করে এবং দুইজনকে বিনা ময়নাতদন্তে হস্তান্তর করা হয়। এদিকে এই বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (২৮ জুন) সন্ধ্যায় একাত্তরকে এতথ্য নিশ্চিত করেছেন রমনা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মহসিন সর্দার।
এসময় তিনি বলেন, মগবাজারের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে চার জনের ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ সোমবার বিকালে হস্তান্তর করা হয়েছে। তারা হলেন, কলেজ শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান (২৬), প্রাইভেটকার চালক স্বপন (৩৯), বাস চালক আবুল কাশেম মোল্লা (৪৫) ও প্রাইভেট ফার্মের চাকরিজীবী রুহুল আমিন (৩০)।
এর আগে গতকাল রাতে মা জান্নাত (২৩) ও তার নয় মাস বয়সী কন্যা সোবাহানার মরদেহ বিনা ময়নাতদন্তে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলেও জানান তিনি।
এদিকে এই বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতর। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে বিস্ফোরণের কারণ অনুসন্ধান করে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিতে ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমানকে প্রধান করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত গতকাল রোববার রাতে রাজধানীর মগবাজারে রহস্যজনক এক বিস্ফোরণে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। মগবাজার মোড়ে একটি পুরাতন ভবনের (৭৯ আউটার সার্কুলার রোড, মগবাজার) নিচতলার একটি খাবারের দোকানে বিস্ফোরণের এই ঘটনা ঘটে। ভয়াবহ এই বিস্ফোরণে ভবনের ফ্লোর দেবে যায় এবং উপরের তলার ছাদের বেশ কিছু অংশ উড়ে যায়।
বিস্ফোরণের তীব্রতা এতো বেশি ছিল যে, রাস্তায় অবস্থানরত দুটো বাসের সবগুলো গ্লাস ভেঙে যায়। বাসে বসা যাত্রীরা আহত হয়। রাস্তার বিপরীত পাশের আড়ং ও বিশাল সেন্টারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধন হয়।
একাত্তর/আরএইচ
