দেশে করোনাভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দেশে মহামারিতে সর্বোচ্চ ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে ২৭ জুন দেশে একদিনে ১১৯ জনের মৃত্যু হয়েছিলো। যা সংখ্যার হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু। এছাড়া ২৯ জুন ও ১৯ এপ্রিল দেশে করোনায় ১১২ জন করে মৃত্যুবরণ করেন।
শুক্রবার (২ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আরও ৮ হাজার ৪৮৩ জন সংক্রমিত হয়েছে। যা গত ১১ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এবং ২৪ ঘণ্টার হিসেবে দেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শনাক্ত। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৯ লাখ ৩০ হাজার ৪২ জন।
২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৩২ জনকে নিয়ে দেশে করোনাতে এখন পর্যন্ত সরকারি হিসাবে মারা গেলেন ১৪ হাজার ৭৭৮ জন।
২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন চার হাজার ৫০৯ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হলেন মোট আট লাখ ২৫ হাজার ৪২২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় রোগী শনাক্তের হার ২৮ দশমিক ২৭ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত ১৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এক দশমিক ৫৯ শতাংশ।
২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৩০ হাজার ৩৮৫টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩০ হাজার ১২টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হলো ৬৬ লাখ ৭০ হাজার ৯৯৪টি। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৪৮ লাখ ৭১ হাজার ২৬০টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ১৭ লাখ ৯৯ হাজার ৭৩৪টি।
মারা যাওয়া ১৩২ জনের মধ্যে পুরুষ ৮১ জন আর নারী ৫১ জন। দেশে এখন পর্যন্ত করোনাতে আক্রান্ত হয়ে পুরুষ মারা গেলেন ১০ হাজার ৪৯৬ জন আর নারী মারা গেলেন চার হাজার ২৮২ জন। তাদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ষাটোর্ধ আছেন ৬৭ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৩০ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২০ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৪ জন আর ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে রয়েছে একজন।
আরও পড়ুন: ‘কঠোর লকডাউনের’ দ্বিতীয় দিনে রাজধানীতে ৩২০ জন গ্রেপ্তার
মারা যাওয়া ১৩২ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৩০ জন, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের ২৪ জন করে, খুলনা বিভাগে ৩৫ জন, বরিশাল ও সিলেট বিভাগে দুইজন করে, রংপুর বিভাগে নয়জন আর ময়মনসিংহ বিভাগের রয়েছেন ছয়জন।
তাদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৯৯ জন, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ২০ জন আর বাড়িতে মারা গেছেন ১৩ জন।
