রাজধানীর ডেমরায় নাজমা ইয়াসমিন (২৮) নামে এক সৌদি প্রবাসীর স্ত্রী ও তার সন্তানদের নির্যাতনের অভিযোগে তার ননাস মারজানা রহমান মুন্নি (৪০) ও তার শাশুড়ি বিলকিস বেগমকে (৫০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ডেমরা থানা পুলিশ তাদের আদালতে পাঠালে ওই দিন বিকালে আদালত তাদের জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সোমবার দিবাগত রাতে ডেমরার বাদশা মিয়া রোড এলাকার চার নং গলির আলী মোয়াজ্জেমের বাড়ী থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বিলকিস বেগম আলী মোয়াজ্জেমের স্ত্রী ও মুন্নি তার মেয়ে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইয়াসমিন গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে ডেমরা থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ ঘটনায় ননাস মুন্নির ছেলে অভিযুক্ত তুষার রহমান (২৪) পলাতক রয়েছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী ইয়াসমিন ও ডেমরা থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৯ বছর আগে মুন্নির ছোট ভাই আব্দুল বাছেদের (৩২) সঙ্গে বিয়ে হয় ইয়াসমিনের। চার বছর আগে মুন্নি তার স্বামীকে ছেড়ে ছেলে তুষারসহ বাবার বাড়ীতে চলে আসে। এদিকে এক বছর আগে বাছেদ সৌদি আরবে চলে যায়।
আরও পড়ুন: প্রবাসীর স্ত্রীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার
তারপর থেকেই শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে ইয়াসমিনকে তার দুই সন্তানসহ বাড়ী থেকে বের করে দিতে চায় মুন্নি ও তার মা। গত ৩ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকেও ঘরে এসে মুন্নি, তুষার ও বিলকিস বেগম ইয়াসমিন ও তার মেয়েকে এলোপাথাড়ি মারধর করে। এসময় ছোট শিশুটিকেও কোল থেকে ফেলে দেওয়া হয়। পরে ইয়াসমিনের ডাক চিৎকারে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ডেমরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার নাসির উদ্দিন বলেন, ইয়াসমিনের মেয়েকেও আসামিরা মারধর করে। মেয়েটির ঠোটে চারটি সেলাই করা হয়েছে।
একাত্তর/এসজে
