সীমান্ত পথে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুত করা বিপুল পরিমাণ অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ ও মমোসা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ।
সোমবার (১৮ মে) রাতে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (২০ বিজিবি) বিশেষ টহল দলের অভিযানে এসব জব্দ করা হয়।
বিজিবি জানায়, অতি সাম্প্রতিক সময়ে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার অন্তর্গত এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিস এবং কালাই উপজেলার করতোয়া কুরিয়ার সার্ভিসের গোডাউনে বাংলাদেশ হতে সীমান্ত পথ দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশে পাচারের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে মজুদকৃত বিভিন্ন প্রকারের যৌন উত্তেজক সিরাপ ও মমোসা ট্যাবলেট রয়েছে।
এই তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার (১৮ মে) আনুমানিক রাত ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত অধিনায়ক জয়পুরহাট ব্যাটালিয়নের (২০ বিজিবি) দিক-নির্দেশনায় টহল কমান্ডার নায়েব সুবেদার মো. মহসিন বয়ানের নেতৃত্বে ব্যাটালিয়ন সদর থেকে একটি বিশেষ টহল দল দু'ইটি আলাদা অভিযানে, এস এ পরিবহন কুরিয়ার সার্ভিস এবং কালাই উপজেলার করতোয়া গোডাউনে র্যাব-৫ এর সিপিসি-৩ এর টহলদল সম্মিলিতভাবে বিশেষ যৌথ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে।
তল্লাশিকালে র্যাব-৫ এর সিপিসি-৩ এর টহলদল, স্থানীয় বাজার কমিটির সদস্য মো. মোস্তা হাসান ও মো. শামীম তালুকদার, এস এ পরিবহন এর ম্যানেজার নাজমুল হাসান ও পার্সেল সহকারী মো. শাহারিয়ার কবির, করতোয়া কুরিয়ার সার্ভিস এর ম্যানেজার মো. ফারুক আহমেদ, এছাড়াও বিএসবি ও আরআইবি সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এ বিশেষ তল্লাশি অভিযানে বিপুল পরিমাণে অবৈধ যৌন উত্তেজক সিরাপ ১৮৫৮২ বোতল এবং মমোসা ট্যাবলেট ৫৯০ পিস উদ্ধার করা হয়। এসবের সর্বমোট সিজার মূল্য- ৫৬,০০,৯০০/- (ছাপ্পান্ন লাখ নয়শ) টাকা।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিজিবি কর্তৃক মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধমূলক 'জিরো টলারেন্স' নীতির বাস্তবায়নের পাশাপাশি এ ধরনের মাদকদ্রব্য যা বর্তমান যুব সমাজকে ধ্বংসের মুখে এগিয়ে দিচ্ছে তা প্রতিহত করার লক্ষ্যে বিজিবি সংকল্পবদ্ধ এবং এ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান, মাদকদ্রব্য, মানব পাচার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে বিজিবি।
সীমান্তের নিরাপত্তা ও অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং সামাজিক শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে যে-কোনো তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য সকলকে অনুরোধ জানিয়েছে বিজিবি।
শিশুর চিঠিতে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রীর, পরিদর্শনে সেতুমন্ত্রী
শিক্ষাখাতে কোয়ান্টিটি নয়, কোয়ালিটি বাড়ানো উচিত: অধ্যাপক মুজিব