দিন থেকে মধ্যরাত, বিভাগ থেকে জেলা পেরিয়ে মফস্বল শহরে চলছে বিরতিহীনভাবে তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণা। কোনোদিন পাঁচটি, কোনোদিন তারও অধিক জনসভা করছেন বিএনপি চেয়ারম্যান। লাখো মানুষকে শোনাচ্ছেন বাংলাদেশকে নিয়ে আগামী দিনে এগিয়ে যাওয়ার বিশদ পরিকল্পনা। বক্তব্যের পাশাপাশি প্রচারণায়ও নিয়ে এসেছেন নতুনত্ব। বিরামহীন এই প্রচারণার আরও গল্প জানাচ্ছেন ফরহাদ ইবেন মালেক।
শুরুটা ২২ জানুয়ারি থেকে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটে তরুণ প্রজন্মের সাথে মতবিনিময় করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারপর থেকে শুরু রাজনৈতিক নানা আয়োজন।

পথসভা নয়, একদিনে করেছেন টানা জনসভা। সিলেট থেকে শুরু করে হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কিশোরগঞ্জের সমাবেশ বিএনপি চেয়ারম্যান যখন নারায়ণগঞ্জ আসেন তখন ঘড়ির কাঁটায় রাত সাড়ে তিনটা। তারপরও থেমে থাকেনি তার প্রচারণা, মধ্যরাতেও জনসমাগম ছিলো চোখের পড়ার মতো। এমন প্রচারণায় তারেক রহমান ছিলেন উজ্জীবিত। ছকে বাঁধা কোনো ডায়াসে নয়, কর্ডলেস মাইকে পুরো মঞ্চ ঘুরে কর্মীদের সামনে তুলে রেখেছেন তার প্রস্তাবনা।
কোথাও মাঝ মাঠ থেকে তুলে এনেছিলেন কোনো মুসুল্লিকে কোথাও বা ভ্যানচালক। বস্তিবাসী থেকে শুরু করে প্রযুক্তিবিদ সকলের কথাই তারেক রহমান শুনেছেন মনোযোগ দিয়ে। দিন থেকে রাত কিংবা রাত থেকে ভোর পেরিয়ে গেলেও ক্লান্তি তাকে ছুঁতে পারেনি। নিরাপত্তা বলয় ভেঙে কর্মীদের সাথে হাত মেলানোর ঘটনা নতুন করে উজ্জীবিত করছে তৃণমূলকে।

নিজেকে আংকেল ডাকতে বারণ করার পাশাপাশি; নিজের মিমস নিয়ে নিজেই হাস্যরস করেন তারেক রহমান। এভাবেই সহজ সরল কথায় শুধু কর্মীদের মাঝে নয়, সাধারণ মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিচ্ছেন নিজের নির্বাচনী ভাবনা।
চট্টগ্রামে সফরে তারেক রহমান অংশগ্রহণ করেছেন ছয়টি জনসভায়। সকাল এগারোটা থেকে শুরু করে মধ্যরাত তারপরও বিরতি নেই তার নির্বাচনী প্রচারণায়। কর্মীরা বলছেন প্রচারণার ক্ষেত্রে তারেক রহমান অনুসরণ করেছেন তার বাবা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে।
মার্ক টালির মৃত্যুতে তারেক রহমানের শোক