সৈয়দপুর বিমানবন্দরে একজন রাজনীতিবিদের কাছে বড়ো অঙ্কের অর্থ উদ্ধারের ঘটনাকে ‘প্রশ্নবোধক’ হিসেবে অভিহিত করেছে বিএনপি।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এই অভিযোগ জানায়।
সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নজরুল ইসলাম খান বলেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতার কাছে টাকা পাওয়াটা অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। শুধু সেখানে নয়, লক্ষ্মীপুরেও একই ঘটনা ঘটেছে এবং বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের আরও রিপোর্ট আছে। জামায়াত নেতাদের টাকা ছড়ানোর তথ্য এখন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি আরও জানান, এসব ঘটনার সংবাদ ও ভিডিও ফুটেজ নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে নজরুল ইসলাম খান বলেন, যারা পরাজয় সম্পর্কে নিশ্চিত, তারাই নির্বাচনে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। যারা পরিবর্তনের প্রতিপক্ষ এবং নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জানে, তারাই নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। তবে জনগণের আগ্রহ ও আকাঙ্ক্ষা এই অপচেষ্টার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী।
বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি কেউ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করে, তবে তাদের জনগণের প্রতিপক্ষ হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। যেসব অভিযোগ উঠেছে, আইন অনুযায়ী ইসি যেন দ্রুত সে বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়, সেই দাবিও পুনরায় জানান তিনি।
