সমাজে যেকোনো মানুষকে হেয় প্রতিপন্ন করার আগে তথ্যের সত্যতা যাচাই-বাছাই করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, একটি গণমাধ্যমে হলফনামার পুরো তথ্য বিস্তারিত না দেখে আংশিক উপস্থাপন করে তাকে নিয়ে নেতিবাচক খবর প্রকাশ করা হয়েছে। রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে নেতিবাচক সংবাদ স্বাভাবিক হলেও তার পরিবার তা সহজে নিতে পারে না।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের দিকে ইঙ্গিত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাকে নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে, তা আমি নিজেই স্বীকার করি। তবে মন্ত্রীদের সন্তানরা যদি নিজস্ব যোগ্যতা অনুযায়ী কোনো প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হয়, তাহলে তা নিয়ে সমালোচনা কেন হবে?
সংবাদমাধ্যমকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু—খবরে দয়া করে এভাবে উপস্থাপন করবেন না। প্রধানমন্ত্রী আমাকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন, এটুকুই। তিনি গণমাধ্যমকে ইতিবাচকভাবে ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেওয়ার আহবান জানান।
নিজের অতীত ও ব্যবসায়ের বিষয়ে মীর শাহে আলম বলেন, ১৯৯৭ সাল থেকে শুরু করে বিভিন্ন সময়ে তিনি নিজ এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছেন। এবার মন্ত্রী হওয়ার পর তিনি নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে সরে এসেছেন। এই ব্যবসা তার নতুন নয়, বরং বহু বছরের পুরনো।
বগুড়ার উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নানা কারণে বগুড়া দীর্ঘদিন ধরে পিছিয়ে ছিলো, সেখানে কাঙ্ক্ষিত কোনো উন্নয়ন হয়নি। তাই এবার বগুড়ার উন্নয়নের জন্য আমি একটু বাড়তি জোর দিয়েছি।
তিনি জানান, তার নিজ এলাকায় ইতিমধ্যে নতুন উপজেলা ও ইউনিয়ন গঠন করা হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী একটি ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনও করা হয়েছে।
চলতি বছরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই বছরেই স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচন আছে। সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে এই নির্বাচন সম্পন্ন করা বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড়ো চ্যালেঞ্জ। সরকার সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বদ্ধপরিকর বলে তিনি উল্লেখ করেন।
