ভারতীয় ক্রিকেটের নবজাগরণের সূচনা সৌরভ গাঙ্গুলীর হাত ধরেই হয়েছিলো, সেটি নিয়ে দ্বিমতের সুযোগ কম। তার নেতৃত্বেই ভারতীয় দল পরিণত হয় ‘টিম ইন্ডিয়া’।
তবে সেই দল থেকে তার বিদায়ের ক্ষণ খুব একটা সুখের ছিলো না। জাতীয় দল থেকে বাদ পড়ার আগে খোয়াতে হয়েছিল অধিনায়কের পদও।
সেই সময়ে এনিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। বলা হয়েছিলো বাংলা বিরোধীদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েই অধিনায়কের পদ ছাড়তে হয়েছিলো সৌরভ গাঙ্গুলীকে।
সেই বিতর্ক নিয়ে এবার নতুন করে বোমা ফাটালেন ভারতীয় ক্রিকেটের কর্তা সৌরভ নিজেই। জানালেন, স্বেচ্ছায় নয়, অধিনায়কত্ব ছাড়তে তাকে বাধ্য করা হয়েছিল।
সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষক দিবস উপলক্ষে একটি ভিডিওতে নিজের ক্রিকেট জীবনের নানা ঘটনা তুলে ধরেছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন অধিনায়ক।
সেখানে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান সভাপতি জানালেন, তাকে বাধ্য করা হয়েছিল জাতীয় দলের নেতৃত্বে থেকে পদত্যাগ করতে।
২০০৫ সালে সৌরভ গাঙ্গুলীকে ভারতীয় দলের নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে দল থেকেও বাদ পড়তে হয় তাকে। যা খুব একটা সম্মানের ছিল না।
ভিডিওতে সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে সৌরভ বলেন, ২০০৩ সালে বিশ্বকাপ ফাইনালে হারের জ্বালা মেটাতে ২০০৭ বিশ্বকাপের জন্য নিজেকে তৈরি করছিলাম।
২০০৩ বিশ্বকাপের পর আমাদের নতুন কোচ এসেছিলেন। বেশ কয়েক জনের নাম নিয়ে সেই সময়ে আলোচনা হয়েছিলো। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার গ্রেগ চ্যাপেল কোচ হন ভারতীয় দলের।
খুব কাছাকাছি গিয়েও ২০০৩ সালের বিশ্বকাপ জিততে পারিনি আমরা। শুধু আমার নয়, দলের সকলেরই আক্ষেপ ছিলো। গোটা দল স্বপ্ন পূরণের আরও একটা সুযোগ চাইছিল।
আরও পড়ুন: বাবরকে নিয়ে একরাশ প্রশংসা ঝাড়লেন বিরাট
সে সময়ই আমাকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। বলা ভাল, আমাকে নেতৃত্ব ছাড়তে বাধ্য করা হয়। অথচ তখন দলের জন্য ভাল খেলতে চাইছিলাম। নিজের সবটুকু দলকে দিতে চাইছিলাম।
ভিডিও বার্তায় সৌরভ অবশ্য জানাননি, কে বা কারা তাকে নেতৃত্ব ছাড়তে বাধ্য করেছিলেন। বিষয়টিকে ক্রিকেট জীবনের উত্থান-পতনের অংশ হিসাবেই বলতে চেয়েছেন তিনি।
একাত্তর/আরএ
