আর নয় ইউরোপের কোন ক্লাব, এবার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর নতুন ঠিকানা হতে যাচ্ছে সৌদি আরবের আল নাসের ক্লাব। তাঁর সঙ্গে সাত বছরের চুক্তি করেছে ক্লাবটি।
মানুষ কতই না অদ্ভুত, একটা সময় যাকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসা যায় পরক্ষণেই আবার সেই মানুষটাকেই ছুড়ে ফেলা দেয়া যায় আস্তাকুঁড়ে।
ম্যানইউ সমর্থকরাই চাইতো ক্লাবের অনিয়ম নিয়ে গলা তুলুক সি আর সেভেন। যখন তুললেন তখন ডানে বামে তাকিয়ে দেখেন কোথাও কেউ নেই।
কত স্বপ্ন নিয়ে লাল জার্সিটা গায়ে চাপিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সেই ক্লাবটাই একাশি শব্দে চুকিয়ে দিলো সব লেনদেন।
মৌসুমের শুরু থেকেই চলে রোনালদো-টেন হ্যাগের শীতল যুদ্ধ। দলের প্লে মেকারকে বেশিরভাগ সময়ই কাটাতে হয় সাইড বেঞ্চ।
এরপরই ম্যানইউকে নিয়ে রীতিমত বিষ্ফোরণ ঘটান পর্তুগিজ সুপারস্টার । পিয়ার্স মরগ্যানের শো তে গিয়ে বলেন ম্যানইড তাকে ঠকিয়েছে। এমন অবস্থায় বিশ্বকাপ শুরু দিন দুয়েক আগেই ক্লাব থেকে সরিযে ফেলা হয় রোনালদোর সব ছবি।
এই অসুস্থ সম্পর্কটা আর বয়ে বেড়াতে পারেননি ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। দুপক্ষের সিদ্ধান্তেই হয় সেপারেশন। এরই মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদের ট্রেনিং ক্যাম্পেও দেখা যায় রোনালদোকে।
বাতাসে নতুন সব গুঞ্জন। তবে কি ফিরছেন আবারো রিয়ালে । না আর নয় স্পেন, এবারে সোজা সৌদি আরবে সি আর সেভেন।
সাত বছরের চুক্তিতে আরবের ক্লাব আল নাসেরে যোগ দিচ্ছেন পর্তুগিজ সেনসেশন। প্রথম আড়াই বছর চুক্তিবদ্ধ থাকবেন খেলোয়াড় হিসেবে।
বাকি সময়টা কাজ করবেন দূত হিসেবে। ২০৩০ মিশর-গ্রিস বিশ্বকাপে থাকবেন শুভেচ্ছা দূত হিসেবে। প্রাথমিকভাবে প্রতি সিজনে পাবেন ২০০ মিলিয়ন ইউরো, চুক্তি সাপেক্ষে বাড়বে আরো।
সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকেই আল নাসের ক্লাবে দেখা যাবে এই পর্তুগিজ আইকনকে। ডাগআউটে রোনালদো পাবেন ফ্রেঞ্চ ফুটবল ম্যানেজার রুডি গার্সিয়া।
একাত্তর/এআর
