বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টিতে দুর্নীতি তদন্তের পর, আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিসিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। খবর বাসসের।
বিপিএলের ১১তম ও ১২তম আসরে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে তথ্য প্রকাশে ব্যর্থতা, দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে অসহযোগিতা এবং তদন্ত কাজে বাধা বা বিলম্ব ঘটানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ইন্টিগ্রিটি ইউনিট (বিসিবিআইইউ)-এর তদন্তের ভিত্তিতে এই অভিযোগগুলো আনা হয়েছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন- ১২তম আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক স্বত্বাধিকারী মো. আব্দুল কাইয়ুম রাশেদ এবং ১১তম আসরে দুর্বার রাজশাহী ও ১২তম আসরে চট্টগ্রাম রয়্যালসের সাবেক অপারেশনস/ম্যানেজেরিয়াল কর্মকর্তা মো. আমিন খান।
রাশেদের বিরুদ্ধে আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার চারটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে ধারা ২.১.১ (ম্যাচের ফলাফল, গতিপ্রকৃতি বা পরিচালনায় কারচুপি বা অনৈতিক প্রভাব বিস্তার), ধারা ২.৪.৪ (দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার প্রস্তাব বা আমন্ত্রণ গোপন করা), ধারা ২.৪.৬ (দুর্নীতিবিরোধী তদন্তে অসহযোগিতা) এবং ধারা ২.৪.৭ (তদন্ত কাজে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব ঘটানো)।
বিসিবির তথ্য অনুযায়ী, পরবর্তী অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে- কোড বা বিধিমালার আওতায় তলব করা সত্ত্বেও ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য রাশেদের মোবাইল ফোন জমা দিতে অস্বীকৃতি জানানো।
আমিন খানের বিরুদ্ধে চারটি ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ধারা ২.১.১ এবং ২.১.৪। এর মধ্যে শেষের ধারাটি কোনো অংশগ্রহণকারীকে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হতে প্ররোচিত করা, উদ্বুদ্ধ করা, উৎসাহিত করা বা ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করার বিষয়টির সাথে সম্পর্কিত।
তদন্তে সহযোগিতা না করা এবং সম্ভাব্য যোগাযোগ বা তথ্য গোপন বা ধ্বংস করার মাধ্যমে তদন্তে বাধা সৃষ্টি বা বিলম্ব ঘটানোর অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ধারা ২.৪.৬ ও ২.৪.৭-এর অধীনেও অভিযোগ আনা হয়েছে।
বিসিবি জানিয়েছে, অভিযুক্ত দুজনকেই সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার আওতায় শাস্তির অংশ হিসেবে অভিযোগের নোটিশ পাওয়ার পর থেকে ১৪ দিনের মধ্যে তাদের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এই পর্যায়ে বিষয়গুলো কেবল অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে এবং শাস্তিমূলক প্রক্রিয়ায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নিজেদের বক্তব্য বা জবাব দেওয়ার সুযোগ থাকবে।
বিসিবি জানিয়েছে, এ বিষয়ে এই পর্যায়ে তারা আর কোনো মন্তব্য করবে না।
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত: স্থায়ী কমিটি
জঙ্গল সলিমপুরে আবারও যৌথ বাহিনীর অভিযান