দারুণ মেমেন্টাম নিয়ে আগামীকাল জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ওয়ান ডে’তে মাঠে নামছে টাইগাররা। এদিকে ১৫৫ রানের বড়ো মার্জিনের জয়ে সিরিজ শুরু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব-নিকাশ সমানে সমান। বরাবরের মতো ব্যর্থ ছিল মিডল অর্ডার। তবে লোয়ার মিডল রিয়াদ-আফিফের দৃঢ়তা আর ওপেনিংয়ে দায়িত্বশীল লিটনের ব্যাটে হারারেতে নিজেদের রেকর্ড রানের চূড়া ছুঁয়েছিল বাংলাদেশ।
তবে সবকিছু সহজ করে দিয়ে স্পটলাইট নিজের করে নিয়েছেন একজন সাকিব আল হাসান। সুপার লিগে প্রথম অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে নেমে সাকিব বল হাতে ধসিয়ে দিয়েছেন প্রতিপক্ষের ইনিংস।
তাসকিন, শরিফুল, সাইফুদ্দিনরাও অবিচার করেননি নিজেদের নামের প্রতি। আর তাই বোলিং ডিপার্টমেন্ট নিয়ে অন্তত ভারমুক্ত টাইগার ম্যানেজমেন্ট। তবে ব্যাটিং দুশ্চিন্তা এড়ানোর সুযোগ কোথায়? তামিম, সাকিব, মিঠুন, মোসাদ্দেক চার ব্যাটসম্যানের উইলো থেকে এসেছে মাত্র ৪৩ রান। মাত্র এক সিরিজের জন্য দায়িত্ব পাওয়া ব্যাটিং কোচ অ্যাশওয়েল প্রিন্স ব্যাটিং ব্যর্থতার পরও ইতিবাচক।
প্রিন্স বলেন, ওয়ানডে সিরিজের শুরুটা অনেকটা টেস্টের প্রথম দিনের মতো ছিল। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ছিল, উইকেটে এক্সট্রা বাউন্স ছিল। ব্যাটসম্যানরা শরীর থেকে অনেক দূরের বল তাড়া করতে গিয়ে আউট হয়েছে। সবচেয়ে ভালো দিক হলো এটা নিয়ে তাদের মধ্যে খারাপ লাগা কাজ করছে। আমি নিশ্চিত সামনে তারা আরও সতর্ক হবেন।
এদিকে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে একাদশে বড়ো পরিবর্তনের আসছেনা। বোলিং ইউনিটে তিন পেসার আর দুই স্পিনারের সফল তত্ত্ব থেকে বের হওয়ার সম্ভাবনা নেই। লিটন দাসের ইনজুরি না খেলার মতো না হলেও, উইকেটের পেছনে তিনি থাকবেন কিনা সেই সিদ্ধান্ত হবে শেষ মুহূর্তে। তবে ব্যাটসম্যান লিটনের দায়িত্ববোধ আর বদলে যাওয়ায় মুগ্ধ গুরু প্রিন্স।
আরও পড়ুন: কোরবানির ঈদের পর বিধিনিষেধ আরও কঠোর হবে: ফরহাদ হোসেন
লিটন সম্পর্কে অ্যাশওয়েল প্রিন্স বলেন, সে একজন আগ্রাসী ব্যাটসম্যান। সেঞ্চুরিটা তার পাওনা ছিল। তবে যেভাবে সে শতক হাঁকিয়েছে সেটা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। নিজেকে গুটিয়ে রাখা, শট সিলেকশনে নিয়ন্ত্রিত হওয়ার ব্যাপারগুলো চোখে পড়বে। আপনি তখনই ভালো ব্যাটসম্যান যখন পরিস্থিতির চাহিদা মিটিয়ে ব্যাটিং করতে পারবেন।
কন্ডিশন সম্পর্কে তিনি জানান, হারারেতে শীতের দাপট বাড়ছে। রোববার সেটা আরও বাড়বে। সকালের আকাশে থাকবে মেঘের আনাগোনা।
একাত্তর/এসি
