অসাধারণ নৈপুণ্য ১২ বছর পর ইউরো জয় করলো স্পেন। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেরার মুকুট নিজেদের করে নিলো দলটি। তাই এখন তাদের ইউরোপের রাজা বলাই যায়।
বার্লিন স্টেডিয়ামে জার্মানিকেই টপকে সর্বোচ্চ চারবার ইউরোর শিরোপা জিতলো স্পেন।
ম্যাচের প্রথমার্ধে তেমন ধারালো ছিলো না স্পেনের আক্রমণ। তবে, বিরতির পর শুরুতেই ইংলিশদের মনে বড় ধাক্কা দেয় স্পেন।

প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ থাকা লামিন ইয়ামাল ইংলিশ রক্ষণকে ঠিকই পরাস্ত করতে সক্ষম হন। তার দারুণ অ্যাসিস্ট থেকে ৪৭ মিনিটে স্পেনকে এগিয়ে দেন নিকো উইলিয়ামস।

এরপর ব্যবধান বাড়ানোর কয়েকটি সুযোগ পায় স্প্যানিশরা। ৪৯ মিনিটে দানি অলমোর শট পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়। ৫৫ মিনিটে ইয়ামালের পাস থেকে দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন অধিনায়ক আলভারো মোরাতা। কিন্তু ইংলিশ গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করতে পারেননি তিনি।

স্পেনকে চড়াও হতে দেখে একাদশে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নেন ইংলিশ কোচ গ্যারেথ সাউথগেট। সেমিফাইনালের মতো ৮০ মিনিটে অপেক্ষা করেননি।
৬০ মিনিটে মাঠ থেকে তুলে নেন অধিনায়ক হ্যারি কেইনকে। ৭০ মিনিটে কোবি মাইনুর জায়গায় মাঠে নামেন কোল পালমার। তিন মিনিটেরও কম সময়ের ভেতর ইংল্যান্ডকে সমতাসূচক গোল এনে দেন তিনি।

৭৩ মিনিটে বল পেয়ে ডান দিক দিয়ে কাউন্টার অ্যাটাকে ওঠেন বুকায়ো সাকা। পাস দেন বক্সে থাকা জুড বেলিংহ্যামকে। তিনি অবশ্য প্রথম স্পর্শেই তা পাঠান কোল পালমারের কাছে। ২০ গজ দূর থেকে দুর্দান্ত এক শটে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান এই ফরোয়ার্ড।
এরপর অবশ্য কিছুটা ধুঁকছিল স্পেন। কিন্তু খুব বেশিক্ষণের জন্য নয়। দ্রুতই নিজেদের সামলে নিয়ে আদায় করে নেয় জয়সূচক গোল। আর সেটা আসে মিকেল ওয়ারসাবালের পা থেকে। ৮৬ মিনিটে মার্কো কুকুরেয়ার নিখুঁত পাসে কেবল টোকা মেরে ইংলিশ গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন তিনি।

শেষ পর্যন্ত এই গোলেই নির্ধারণ হয়ে যায় ম্যাচের ভাগ্য। ৮৯ মিনিটে দানি ওলমো অবশ্য ফিরিয়ে দেন ইংল্যান্ডের ম্যাচে ফেরার শেষ আশাও। তাতেই ৫৮ বছরে গড়ালো ইংলিশদের শিরোপার অপেক্ষা।
কোপার ফাইনালই হবে মেসির শেষ ম্যাচ!