আঞ্চলিক শান্তি চুক্তি মেনে চলতে ব্যর্থ হওয়ায় মিয়ানমারকে ছাড়াই আসিয়ানের ৩৮তম শীর্ষ সম্মেলন শুরু করেছে সদস্য দেশগুলো।
মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে এবারের সম্মেলনের উদ্বোধন করে সভাপতি দেশ ব্রুনেই। তবে সেখানে মিয়ানমারের অনুপস্থিতি সম্পর্কে কোন প্রকার মন্তব্যই করেনি কোন সদস্য দেশ।
সম্মেলনে 'অরাজনৈতিক প্রতিনিধি' হিসেবে যোগদান করতে মিয়ানমারের শীর্ষ কূটনীতিবিদ চান আয়েকে ব্রুনেই আমন্ত্রণ জানালেও তিনি যোগ দেননি। সম্মেলনে শুধুমাত্র সেনাপ্রধান বা মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিরাই যোগ দেবেন বলে ব্রুনেইকে জানায় মিয়ানমার।
এদিকে, নিষেধাজ্ঞা আরোপ করায় আসিয়ানকে চ্যালেঞ্জ জানানোর কথা বলেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।
গত ১৫ অক্টোবর মিয়ানমারকে এবারের সম্মেলন থেকে বাদ দেয়ার কথা ঘোষণা করে আসিয়ান। এবছরের ফেব্রুয়ারি মাসে মিয়ানমারের বেসামরিক সরকারকে সরিয়ে ক্ষমতায় বসে দেশটির সেনাবাহিনী প্রধান মিন অং হলাইং।
আরও পড়ুন: অবশেষে রাজপদবী ত্যাগ করে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন রাজকন্যা
এই ক্যুয়ের ফলে দেশটিতে যে রাজনৈতিক অস্থিরতার সৃষ্টি হয়েছিলো তার অবসান ঘটাতে এপ্রিলে আসিয়ানের সাথে শান্তি চুক্তি করেন মিন অং হলাইং। সেই চুক্তি বাস্তবায়নে ব্যর্থ হওয়ায় মিয়ানমারের সম্মেলনে আসায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সংস্থাটি।
শান্তিপূর্ণ ও অংশীদারিত্বমূলক আচরণের জন্য পরিচিত এই আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাটির এই সিদ্ধান্ত একটি সাহসী ও বিরল পদক্ষেপ।
দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শান্তি ও সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৯টি দেশ নিয়ে গঠিত হয় আসিয়ান। ১৯৯৭ সালে তৎকালীন সামরিক সরকারের অধীনে দশম দেশ হিসেবে আসিয়ানে যোগদান করে মিয়ানমার।
