সাম্প্রদায়িকতা প্রশ্নে আর কোন ছাড় দেবে না আওয়ামী লীগ। যারাই সাম্প্রদায়িক সংঘাতে জড়িত হবে তাদের কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করা হবে। এ ব্যাপারে নিজ দলের নেতা কর্মীদেরও ছাড় দেবে না আওয়ামী লীগ।
ভবিষ্যতে সাম্প্রদায়িক যে কোন উস্কানি বা সম্ভাব্য সংঘাত ঠেকাতে সারাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল।
কুমিল্লার পর নোয়াখালী, রংপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় দুর্গাপূজায় সাম্প্রদায়িক হামলার পর নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন।
ভিডিও ছবি দেখে সনাক্ত করে গ্রেফতার করা হচ্ছে অপরাধীদের। কিন্তু কারা এসব ঘটনার মদতদাতা। বরাবরের মতো তারা এখনো থেকে গেছে ধরাছোঁয়ার বাইরে।
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, সাম্প্রদায়িকতা প্রশ্নে এখন থেকে আর কোন ছাড় দেবে না সরকার। এনিয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে।
এসব ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের পাশাপাশি তাদের উস্কানিদাতাদের নামও বেরিয়ে আসছে। তাদেরও কোন ছাড় দেয়া হবে না বলে জানালেন, কেন্দ্রীয় নেতারা।
আরও পড়ুন: প্রতারণার দায়ে আদিয়ান মার্টের সিইওসহ গ্রেপ্তার চার
পরিকল্পিতভাবে উস্কানি ছড়িয়ে যখন বিভিন্ন জায়গায় দুর্গামণ্ডপে হামলা করা হচ্ছিলো, তখন মাঠে ছিলেন না স্থানীয় পর্যায়ের আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা।
এটিও ভাবনার কারণ ক্ষমতাসীনদের। তাই ভবিষ্যতে এ ধরণের সহিংসতা ঠেকাতে সারাদেশের তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে।
ক্ষমতাসীন দলের নেতারা জানান, কেন্দ্রের নির্দেশনার অপেক্ষায় না থেকে সাম্প্রদায়িক কোন উস্কানির আঁচ পেলেই প্রশাসনকে জানানোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
সাম্প্রদায়িকতা রুখতে সমাজে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সারাদেশে সংস্কৃতি চর্চা ফিরিয়ে আনাকেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগ নেতারা।
একাত্তর/এসজে
