দূর পাল্লার বাস বন্ধ থাকায়, টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বন্ধ আছে রাজধানীর সাথে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেও কোন সমাধান না আসায় অঘোষিত ধর্মঘট অব্যাহত রেখেছে পণ্যবাহী ট্রাক ও বাস মালিক সমিতি।
রোববার (৭ নভেম্বর) বিআরটিএ -এর সাথে বৈঠক করে ভাড়া সমন্বয়ের আগে ট্রাক বাসের চাকা ঘুরবে না সোজা বলে জানিয়ে দিয়েছেন তারা।
জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুক্রবার থেকে অঘোষিত ধর্মঘটে আছেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা। সমাধানের কোণ পথ খুঁজে না পাওয়ায় সেই ধর্মঘট গড়িয়েছে দ্বিতীয় দিনে।
আর, গণপরিবহন বন্ধ থাকার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্যক্তিগত বহনই রূপ নিয়েছে গণপরিবহনে। তা দিয়েই চলছে যাত্রী পারাপার। তবে ভাড়া কয়েক গুণ বেশি।
দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যক্তিগত গাড়িতে চলেছে যাত্রীদের পকেট কাটা। গাবতলির বাসস্ট্যান্ডের সামনে এখন প্রাইভেট গাড়ির অস্থায়ী স্ট্যান্ড।
কয়েকগুণ বেশি ভাড়ায় মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল ও সিএনজিতে করে ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ। এজন্য রীতিমতো একটি চক্র গড়ে উঠেছে সেখানে।
অনেকে আবার চড়া ভাড়ার কারণে দীর্ঘসময় গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে রয়েছেন অনেকে। দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন ঢাকার বাইরে যাওয়া মানুষরা।
গাবতলী বাসস্ট্যান্ডে বেশিরভাগ কাউন্টার বন্ধ দেখা গেছে। কোনো কোনো কাউন্টার খোলা থাকলেও সেখানে টিকিট বিক্রেতাদের অলস সময় পার করতে দেখা যায়।
মানুষের দুর্ভোগের মধ্যেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সঙ্গে পরিবহন মালিকদের বৈঠকেও আসেনি কোন সমাধান। ফলে এখন অপেক্ষা রোববার বিআরটিএ -এর সঙ্গে বৈঠকের।
আরও পড়ুন: মানুষের দুর্ভোগে বাইক-উবার ও সিএনজির পোয়াবারো
সেখানে তেলের দামের সাথে বাস ভাড়া সমন্বয় করার কথা। আলোচনা হবে বিভিন্ন সেতুতে টোলের ফি নিয়েও। সবপক্ষ একমত হলে রোববার থেকেই ঘুরতে পারে বাসের চাকা।
বাস মালিকরা বলছেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর আগে সবার সাথে আলোচনা করলে মানুষের এই ভোগান্তি হতো না।
