কেমন হতো যদি কয়েক মিনিটের মাঝেই এক শহর থেকে আরেক শহরে চলে যাওয়া
যেত। বিংশ শতাব্দির ভবিষ্যৎ পরিবহন ভার্জিন হাইপারলুপ নিয়ে আসতে চলেছে সেই প্রযুক্তি।
যা পরিবহন ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসবে। সর্বোচ্চ প্রযুক্তির এই ক্যাপসুল চলবে বায়ুশূন্য কাচের টানেল দিয়ে।
ভবিষ্যতের যাতায়াত ব্যবস্থা কেমন হবে? কল্পনার চোখে হয়তো দেখবেন, সবাই নিজের স্পেস শিপ নিয়ে উড়ে বেড়াচ্ছেন।
তবে বস্তবের কিছুটা ধারণা আপনাকে দেবে যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা প্রদেশের মরুভূমিতে বসানো এই ভার্জিন হাইপারলুপ। উচ্চগতির ও শক্তি সাশ্রয়ী বড় আকারের টিউবগুলো বিশ্বের পরিবহন ব্যবস্থাকে আমূলে বদলে দিতে পারে।
২০১৩ সালে এই প্রযুক্তির প্রস্তাব নিয়ে আসেন মার্কিন উদ্যোক্তা এলন মাস্ক। ভার্জিন হাইপারলুপ ঘণ্টায় ৭৫০ মাইল গতিবেগের যাত্রীবাহী পড তৈরির নতুন প্রযুক্তি বিনির্মাণের কাজ করছে।
হাইপারলুপ হচ্ছে এমন একটি বায়ুশুন্য টিউব যার মধ্য দিয়ে ম্যাগনেটিক লেভিটেশন আর ভ্যাকুয়াম পাম্প ব্যবহার করে মানুষ বা মালবাহী পড দ্রুতগতিতে এক স্থান থেকে আরেক স্থানে চলাচল করবে।
সেখানে ঘর্ষণ বা বায়ুর বাধা না থাকার কারণে পডের গতি শব্দের গতি ছাড়িয়ে যাবে। আর এটা শুধু দ্রুতগতিরই হবে না, সেই সাথে সস্তা ও পরিবেশবান্ধব হবে।
গেলো বছরের নভেম্বরে তারা প্রথম সফল পরিক্ষা চালায়। যাত্রীসহ এটি ৫০০ মিটার যায় মাত্র ১৫ সেকেন্ডে। অর্থাৎ ঘন্টায় ১০৭ মাইল বেগে।
এখনো এটি প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও ২০২৭ সাল নাগাদ বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরুর কথা ভাবছেন ভার্জিন হাইপারলুপের প্রধান নির্বাহী জশ গিগেল।
তিনি জানান, গাড়ি, ট্রেন ও প্লেনের মতোই ১০০ বছরের মধ্যে পরিবহন ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটানো প্রথম যানবাহন হতে চলেছে হাইপারলুপ।
একাত্তর/এসএ
