করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন আতঙ্কের মধ্যেই ব্যস্ততম স্থলসীমান্ত খুলে দিলো সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া। স্থানীয় সময় সোমবার (২৯ নভেম্বর) সীমান্ত খুলে দেয়া হয়।
তবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই ব্যস্ত সীমান্ত পার হওয়ার অনুমতির জন্য টিকার দুই ডোজই নেওয়া থাকতে হবে প্রত্যেক ভ্রমণকারীর।
এর আগে কোভিড-১৯ মহামারী রূপ নিলে সংক্রমণ রোধ করতে ২০২০ সালের মার্চ মাসে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেসময় হঠাৎ নেওয়া সিদ্ধান্তে দুই দেশে আটকে পড়ে বহু মানুষ।
তবে স্থলসীমান্ত চালুর ব্যাপারে নির্দিষ্ট কিছু নির্দেশনা জারি করেছে সিঙ্গাপুর সরকার। নতুন নিয়মে, করোনা নেগেটিভ সনদ থাকলে এক হাজার ৪৪০ জন ভ্রমণকারী দৈনিক সীমান্ত দিয়ে ভ্রমণ করতে পারবেন। তবে নাগরিকত্ব, স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা অথবা দীর্ঘমেয়াদী ভিসার আওতায় থাকা ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন মানতে হবে না।
আরও পড়ুন: বিদেশী ভ্রমণকারীদের ওপর জাপানের নিষেধাজ্ঞা
ওমিক্রন আতঙ্কের পর রোববার থেকে ভ্রমণকারীদের করোনা পরীক্ষা চালু করেছে দেশটি। একই নিয়ম অনুসরণ করছে মালয়েশিয়াও।
সিঙ্গাপুরে এখন পর্যন্ত ৮৫ শতাংশ ও মালয়েশিয়ায় শতাংশ মানুষ টিকার আওতায় এসেছে।
এদিকে, মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুবও সোমবার প্রথমবারের মতো সিঙ্গাপুর সফরে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত, শ্রমের জন্য সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়ার নাগরিকদের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। কেননা সিঙ্গাপুরের রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে সেমিকন্ডাক্টর বানানোর কারখানার কর্মীদের অধিকাংশই মালয়েশিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় জোহোর রাজ্যের বাসিন্দা।
মহামারির আগে জোহোর-সিঙ্গাপুর কজওয়ে সীমান্ত দিয়ে দৈনিক তিন হাজারের বেশি মানুষ মালয়েশিয়া থেকে সিঙ্গাপুরে যাতায়াত করতেন।
একাত্তর/টিএ
