একাত্তরে মতোই অপশক্তির মুখে ছাই দিয়ে দেশের সর্বাঙ্গীণ বিজয় নিশ্চিত করার ডাক দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ নেতারা।
শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় যোগ দেন দলটির হাজারও নেতাকর্মী।
এর আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে দলটির নেতারা বলেন, বিজয়ের পঞ্চাশ বছর পরও দেশের বিরুদ্ধে অপশক্তির ষড়যন্ত্র এখনও অব্যাহত রয়েছে।
ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউট থেকে শুরু হয়ে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের গিয়ে শেষ হয় বিজয় র্যালি।
২০১৯ সালের মার্চে করোনা মহামারি শুরুর পর আওয়ামী লীগের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি ছিলো শনিবারের শোভাযাত্রা।
দুপুরের আগেই রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান সংলগ্ন ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের সামনে জড়ো হতে থাকেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।
কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে ঢাকার প্রতিটি ওয়ার্ড ও ইউনিট থেকে যোগ দেন দলের নেতাকর্মীরা। ছাত্রলীগ ও যুবলীগসহ সব অঙ্গসংগঠনের পক্ষ থেকেও ছিলো বিপুল অংশগ্রহণ।
বিজয় শোভাযাত্রা আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতারা। র্যাব কর্মকর্তাদের উপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার ইঙ্গিত করে নেতাকর্মীদের সর্তক থাকার আহ্বান জানান তারা।
বিগত বছরগুলোর মতো ষড়যন্ত্রকারীরা এবারো সফল হবে না বলে হুশিয়ার করেন নেতারা। ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার নেপথ্যে থাকা তারেক রহমানের বিচার নিশ্চিতের দাবিও ওঠে।
দুইটায় কথা থাকলেও শোভাযাত্রাটি শুরু হয় বিকেল সাড়ে তিনটার। ততক্ষণে নেতাকর্মীদের সমাবেশ ছাড়িয়ে যায় মৎস্য ভবন থেকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধু যাদুঘর পর্যন্ত।
আরও পড়ুন: ষষ্ঠ ধাপে ২১৯ ইউপিতে ভোটগ্রহণ ৩১ জানুয়ারি
কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে পায়ে হেঁটে এগিয়ে চলে বিজয় দিবসের শোভাযাত্রা। শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড সায়েন্স ল্যাবরেটরি থেকে মিরপুর সড়ক পর্যন্ত পথে পথে যোগ দেন তৃণমূলের কর্মীরা।
ঢাকা সিটির উত্তর এবং দক্ষিণের মেয়র যোগ দেন বিজয়ের শোভাযাত্রায়। বিকেলে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে গিয়ে শেষ হয় বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে আওয়ামী লীগের এই কর্মসূচি।
একাত্তর/আরএ
