করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরন নিয়ে শঙ্কায় রয়েছে ইউরোপ ও পশ্চিম বিশ্বের দেশগুলো। আর এরইমধ্যে অব্যাহত রয়েছে মৃত্যু। করোনায় আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ হাজার ১২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৫৩ লাখ ৬৬ হাজার ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১৯ ডিসেম্বর) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
ওয়ার্ল্ডোমিটারসের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে পাঁচ লাখ ৫৫ হাজার ৭৯৭ জন। আর বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২৭ কোটি ৪৫ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ জন।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় যুক্তরাজ্যে আক্রান্ত হয়েছেন ৯০ হাজার ৪১৮ জন এবং মারা গেছেন ১২৫ জন। ফ্রান্সে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৮ হাজার ৫৩৬ জন এবং মারা গেছেন ৮৫ জন। রাশিয়ায় মারা গেছেন ১ হাজার ৭৬ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ২৭ হাজার ৪৩৪ জন। যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫ হাজার ৯২৪ জন এবং মারা গেছেন ৪৮৭ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ৯৫৩ জন এবং মারা গেছেন ২৩০ জন। ইউক্রেনে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৫০৩ জন এবং মারা গেছেন ২৮৮ জন। ব্রাজিলে মারা গেছেন ১৩৭ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ৩ হাজার ৩২৩ জন।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানে ৪১ জন, তুরস্কে ১৯১ জন, পোল্যান্ডে ৫৪৩ জন, ফিলিপাইনে ১০৫ জন, মেক্সিকোতে ২১১ জন এবং ভিয়েতনামে ২৪৮ জন মারা গেছেন।
এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনার ওমিক্রন ধরন এ পর্যন্ত ৮৯টি দেশে ছড়িয়েছে। স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হওয়ার পর দেড় থেকে তিন দিনের মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে যাচ্ছে দ্বিগুণ।
আরও পড়ুন: বিজয়ের শোভাযাত্রায় অপশক্তিতে রুখে দেয়ার ডাক
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, উচ্চ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যেও ওমিক্রন দ্রুত ছড়াচ্ছে। তবে, এটি অতিক্রামক নাকি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভাঙতে সক্ষম সেটা জানা যায়নি।
২৬শে নভেম্বর ওমিক্রনকে উদ্বেগজনক ধরন হিসাবে ঘোষণা করা হয়। তবে এ সম্পর্কে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো পর্যাপ্ত তথ্য-উপাত্য এখনো জোগাড় হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত বছরের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।
একাত্তর/আরবিএস
