করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনরে কারণে জারি করা নানারকম বিধিনিষেধের মধ্যেই ইংরেজি নতুন বছর ২০২২ সালকে বরণ করে নিয়েছে বিশ্বের লাখো মানুষ।
এখন পর্যন্ত ইউরোপের একাধিক দেশে ব্যাপক করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। তাই বর্ষবরণের অনুষ্ঠান বাতিল করেছে বহু দেশ।
নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, লন্ডন, প্যারিস আর নিউইয়র্ক সব জায়গাতেই ছিলো চোখ ধাঁধানো আতশবাজি ও আলোকসজ্জার আয়োজন।
২০২২ সাল প্রথম পা রাখে ওশেনিয়া মহাদেশের সামোয়ার দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জ এবং কিরিবাতিতে। এর ঘণ্টাখানেক পরে নতুন বছরকে বরণ করে নিউজিল্যান্ড।

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের প্রকোপের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে হারবার ব্রিজ ও অপেরা হাউসে হাজারো দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে এবারের বর্ষবরণ হয়েছে।
ঘণ্টাধ্বনি বাজিয়ে বিশাল আয়োজনে প্রতি বছর দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে বর্ষবরণ আয়োজন হয়ে থাকে। এবার ওমিক্রন বেড়ে যাওয়ায় তা বাতিল করা হয়েছে।
ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে উত্তর কোরিয়ায় ছিল আতশবাজি ও আলোকসজ্জার আয়োজন। এর মধ্য দিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উনের ক্ষমতায় আরোহণের ১০ বছর পূর্ণ হলো।
তবে ওমিক্রনের বাড় বাড়ন্তে চীন, জাপান, ফিলিপাইন চলছে কঠোর বিধিনিষেধ আর কড়াকড়ি। তাই চোখে পড়ার মত তেমন কোনো আয়োজনই ছিলো না এবার।
ওমিক্রন প্রথম শনাক্ত হওয়া দক্ষিণ আফ্রিকায় মহামারির কারণে চলা প্রায় দু’বছরের রাত্রিকালীন কারফিউ তুলে নেয়া হয়েছে। ফলে দেশটির বর্ষবরণ নতুন মাত্রা পেয়েছে।
বড় ধরনের আয়োজন বাতিল এবং সতর্কতার মধ্য দিয়েই সীমিত পরিসরে ২০২২ সালকে বরণ করে নিয়েছে লন্ডনবাসী। সিটি স্কয়ারে ব্যারিকেড থাকলেও উৎসাহীরা সশরীরেই হাজির হন।

প্যারিসের আইফেল টাওয়ারে মনোহর আলোকসজ্জায় ২০২২ বরণ করা হয়। তবে, গত মাসেই বর্ষবরণ উপলক্ষে ফ্রান্সে পাবলিক কনসার্ট এবং আতশবাজির আয়োজন নিষিদ্ধ করা হয়।
রাজধানী বার্লিনে আলোকসজ্জায় ২০২২ বরণ করা হলেও, করোনাভাইরাসের অতি সংক্রমণের কারণে জার্মানিজুড়ে নববর্ষ উপলক্ষে জনসমাগম নিষিদ্ধ করা হয়।
আরও পড়ুন: বর্ষবরণ উৎসব চালু হয় চার হাজার বছর আগে

করোনার কারণে নিউইয়র্কের টাইম স্কয়ারের সীমিত পরিসরে মাত্র ১৫ হাজার মানুষকে হাজির হওয়ার অনুমতি পান। তবে কোন আয়োজনেই ছিলো না কমতি।
