করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের চিকিৎসায় ব্যবহারের জন্য আরও দুটি ওষুধের অনুমোদন দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা- ডব্লিউএইচও।
এর একটির নাম ব্যারিসিটিনিব, যা মূলত রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। আর অপরটি হলো মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি- ক্যাসিরিভিমাব-ইমডিভিমেব।
গুরুতর অসুস্থ রোগীদের চিকিত্সার জন্য ব্যারিসিটিনিব কর্টিকোস্টেরয়েডের সঙ্গে ব্যবহার করা যেতে পারে। এই ওষুধটি সাধারণত হাঁটু ব্যাথায় আর্থ্রাইটিসের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
মার্কিন ফার্মা জয়ান্ট এলি লিলির তৈরি ব্যারিসিটিনিব। তবে বাংলাদেশ ও ভারতে এর জেনেরিক সংস্করণ পাওয়া যায়।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের খবর অনুসারে, গুরুতর করোনা রোগীদের জন্য ব্যারিসিটিনিব ব্যবহারে ‘জোরালো সুপারিশ’ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ প্যানেল।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ওষুধটি ভেন্টিলেটরেয় প্রয়োজনীয়তা কমায় এবং কোনও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়াই রোগীর জীবনের ঝুঁকি কমাতে পারে।
এর প্রভাব আর্থ্রাইটিসের অন্য ওষুধ ইন্টারলেউকিন-সিক্সের মতো হয়ে থাকে। যদি দুটো ওষুধই কাছে থাকে, দাম এবং চিকিত্সকের মতামত নিয়ে ওষুধটি নেয়া যাবে।
অন্যদিকে, পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি সোট্রোভিম্যাব ব্যবহারের সুপারিশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এটি কম সংক্রমণের রোগীদের দিতে বলা হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, যেসব করোনা রোগীর হাসপাতালে ভর্তি করার আশঙ্কা বেশি তাদের ক্ষেত্রে সট্রোভিম্যাব ব্যবহার করা যেতে পারে।
তবে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের বিরুদ্ধে এই চিকিৎসা পদ্ধতি কতটা কার্যকর তা এখনো জানা যায়নি। এনিয়ে পর্যাপ্ত উপাত্ত পাওয়া যায়নি বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
একাত্তর/ এনএ
