পোনা মাছ ধরা ও বিক্রি করা অবৈধ। কিন্তু লোভে পরে পোনা মাছ ধরা দিনে দিনে বেড়েই চলছে। এতে করে মাছের উৎপাদন যেমন কমবে, তেমনি ক্ষতিগ্রস্ত হবে জেলের জীবিকা।
অথচ বরগুনা জেলার পাথরঘাটায় অবৈধভাবে পোনামাছ ধরা বন্ধ করতে দিচ্ছে না একটি বড় চক্র। যার নেতৃত্বে রয়েছেন বেল্লাল ফকির নামের এক মাফিয়া।
এরই মধ্যে তাদের হামলার শিকার হয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পুলিশ, কোস্টগার্ড, মৎস্য অধিদপ্তর ও আনসার সদস্যদের একটি দল।
হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে বরগুনার বিষখালী ও বলেশ্বর নদীতে কারেন্ট জাল দিয়ে পোনা শিকার। বিষয়টি জানার পর নদীর বঙ্গোপসাগরের মোহনায় শুরু হয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর, পুলিশ, কোস্টগার্ড ও আনসারের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান।
কিন্তু অভিযোগ উঠেছে অভিযান চলার সময় জেলেদের সর্দার বেল্লাল ফকির প্রায় এক হাজার লোকজন নিয়ে হামলা চালিয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপর।
এতে আহত হন পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসাইন মুহাম্মদ আল-মুজাহিদ, মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপুসহ আটজন।
এই ঘটনায় ১৬০ জেলের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে পাথরঘাটা থানায় মামলাটি করেন পাথরঘাটা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু।
তবে যাদের ওপর এই অভিযোগ সেই জেলেদের দাবি, প্রশাসনের লোকজন চিংড়ি ধরার জালকে অবৈধ জাল হিসেবে জব্দ করেছে। এ জন্যই তারা বাধা দিয়েছিলেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-মুজাহিদ বলেন, ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও পাশাপাশি লাঠিসোঁটা নিয়ে তারা আমাদের ওপর অতর্কিত আক্রমণ করে।
এই ঘটনার পরও অবৈধ পোনা শিকারিদের বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
এর আগেও ২০১৯ ও ২০২০ সালে অবৈধ জাল জব্দ করতে গেলে প্রশাসনের ওপর হামলা চালিয়েছিলো অভিযুক্ত বেল্লাল বাহিনী।
