নানা অভিযোগ আর অপ্রাপ্তিতে শেষ হলো টিসিবির ফেব্রুয়ারি মাসের পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। ন্যায্যমূল্যে পণ্যবিক্রির শেষদিনেও প্রতি ট্রাকেই ছিলো ভোক্তাদের উপচে পড়া ভিড়। কিন্তু চাহিদার তুলনায় পণ্যের পরিমাণ সামান্য হওয়ায়, শেষ দিনেও অধিকাংশকেই ফিরতে হয়েছে খালি হাতে। যদিও টিসিবি বলছে সারাদেশে ৪৫০টি ট্রাকের মাধ্যমে এক লাখ ৩৫ হাজার মানুষের হাতে প্রতিদিন ন্যায্যমূল্যে পণ্য পৌঁছে দিয়েছে তারা।
টিসিবি’র পণ্য নিতে আসা ক্রেতারা বলেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ খুবই কম থাকায় লাইনে দাঁড়ালেই মিলছে না টিসিবির পণ্য। তার জন্য করতে হয় রীতিমত ধাক্কা-ধাক্কি। সেই সঙ্গে চলে, বাকযুদ্ধও।
টিসিবির পণ্য যেন সারাবছরই কিনতে পারা যায় দাবি করে ক্রেতাদের অভিযোগ, লাইনে না দাঁড়িয়েই ৩/৪ বার পণ্য নিয়ে বাইরে বিক্রি করেছেন কেউ কেউ।
টিসিবির মুখপাত্র হুমায়ুন কবির বলেন, তেল, চিনি, ডাল, পেঁয়াজের সঙ্গে রোজায় যোগ হবে ছোলা আর খেজুর। তাদের লক্ষ্য, ঈদের আগে এক কোটি পরিবারের হাতে দুইবার ন্যায্যমূল্যে পণ্য পৌঁছে দেওয়া।
আরও পড়ুন: বুস্টার ডোজ নিলে ভারতে যেতে লাগবে না করোনা টেস্টের সনদ
রাজধানীতে ১০০টিসহ সারাদেশ ৪৫০টি ট্রাকে এবার পণ্য বিক্রি করেছে টিসিবি। প্রতিষ্ঠানটির হিসেবে প্রতি ট্রাক থেকে পণ্য নিতে পেরেছেন গড়ে তিনশ’ জনের মতো। অর্থাৎ প্রতিদিন এক লাখ ৩৫ হাজার মানুষের হাতে পৌঁছেছে টিসিবির পণ্য। কিন্তু বাস্তব চিত্র হলো কাঙ্ক্ষিত টিসিবির পণ্যের জন্য প্রতিদিন লাইন দিয়েছেন অন্তত পাঁচ লাখ মানুষ।
একাত্তর/এসি
