'যানবাহনের ক্ষেত্রে থার্ডপার্টি ইনসুরেন্স বন্ধ করে দিতে হবে। এটা অনেক বড় ধরণের ধোঁকাবাজি। বিমা এক ধরণের আমানত। এটা পেতে গিয়ে কেউ যেনো হয়রানি না হয়, সেদিকে সর্তক থাকতে হবে', এমনটাই বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জাতীয় বিমা দিবস উৎযাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রের অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।
আরও পড়ুন: বিমার প্রতিশ্রুতি অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
১৯৬২ সালে আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানীতে বঙ্গবন্ধুর চাকুরী করার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমা কোম্পানীতে চাকুরী করার সময়ই ৬ দফা তৈরী করেছিলেন বঙ্গবন্ধু।
তিনি জানান, উন্নত দেশের মতো কার্যকর বিমা ব্যবস্থা চালু করতে হবে দেশে। পিতা-মাতা বা অভিভাবকদের অকাল মৃত্যুতে অনেকের শিক্ষা জীবন হুমকীর মুখে পড়ে যায়। শিক্ষা বিমা চালু হওয়ায় সেই সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করেন তিনি।
বিমার টাকা পেতে গার্মেন্টসখাতে আগুন লাগিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়ার প্রবণতা দেখা গিয়েছিলো বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন মিথ্যা দূর্ঘটনা ঘটিয়ে টাকার নেয়ার প্রবণতা এই খাতকে হুমকীর মুখে ফেলে দেবে। তাই দাবিপূরণের সময় প্রযুক্তি ব্যবহার করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিমা বিষয়ে মানুষের আস্থান বাড়াতে হবে। এজন্য সরকারী বেসরকারী খাতগুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের সরকার বেশ কয়েকটি ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির অনুমতি দিয়েছে। এগুলো আরও কার্যকর করতে হবে। আমরা স্বাস্থ্যবিমাও চালু করতে চাই। এজন্য কাজ শুরু করতে হবে।
বিমা জনপ্রিয় করাসহ এর সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি কোম্পানিগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, অনেকেই ব্যবসা করতে গিয়ে বিমা করে। এরপরে ভুল বা অসত্য তথ্য দিয়ে কিংবা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রিমিয়াম থেকে টাকা দাবি করে। আসলে হয়ত এই দাবি সঠিক নয়। এসব বিষয়ে আমাদের সর্তক হতে হবে। যারা এসব পরীক্ষা করে তাদেরও ভালোভাবে শিক্ষা দিতে হবে। তারা যেন আবার অন্য কোনোভাবে ওই অল্প ক্ষতিকে বড় ক্ষতি করে না দেখায়।
একাত্তর/এআর
