ইউক্রেনে রকেট হামলার শিকার বাংলাদেশি জাহাজ বাংলার সমৃদ্ধির ২৮ জন
ক্রুকে একটি শেল্টার হোমে নেয়া হয়েছে। সেখান থেকে তাদেরকে পোল্যান্ডে নেয়ার প্রস্তুতি
চলছে।
তারা সবাই নিরাপদে আছেন। ক্রুদের সঙ্গে যোগাযোগের পর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন তাদের স্বজনেরা। একাত্তরের কাছে তারা ক্রুদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি তুলেছেন।
ইউক্রেনে জাহাজে ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রকৌশলী সৈয়দ আসিফুল ইসলাম। শহরের মুন্সেফ পাড়ার বাসায় তাকে নিয়ে তাই উদ্বেগে আছে বাবা মা।
আসিফের মা জানান, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাড়ি থেকে বিদায় নেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাত ১০ টায় মুঠোফোনে আসিফ মা বাবা ও বোনকে জানান তিনি এখন নিরাপদ।
সাতক্ষীরা শহরের উত্তর কাটিয়ায় বসবাস মনসুরুল আমিন গিনির পরিবারের। তিনিও ছিলেন বাংলার সমৃদ্ধিতে। জাহাজের অ্যাডিশনাল ক্যাপ্টেনের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
তার স্বজনরা জানিয়েছেন, মনসুরুল আমিন কোথায় আছেন তা তাঁরা নিশ্চিত হতে পারেননি।
এদিকে, ছেলেকে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের ফয়সালের পরিবারও।
ক্ষতিগ্রস্ত ওই জাহাজে ইন্টার্নশিপ করছেন ফয়সাল। বৃহস্পতিবার বিকেলে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে তিনি বাবাকে জানিয়েছিলেন ভালো আছেন তারা।
আরও পড়ুন: পুলিশি নির্যাতনে অন্তঃসত্ত্বা নারীর গর্ভপাতের অভিযোগ
ইউক্রেনে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি জাহাজের থার্ড অফিসার ময়মনসিংহের রোকনুজ্জামানের পরিবার দিন কাটছে উদ্বেগ-আর উৎকণ্ঠায়।
সবশেষ বৃহস্পতিবার বিকেলে পরিবারের সাথে যোগাযোগ করতে পেরেছেন তিনি। তারা চান দ্রুত এবং নিরাপদে ঘরে ছেলে ঘরে ফিরে আসুক।
২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে আটকে থাকা সরকারি মালিকানার জাহাজটিতে বুধবার রকেট হামলা হয়। এতে জাহাজটির থার্ড ইঞ্জিনিয়ার হাদিসুর রহমান নিহত হন।
এই ঘটনার পরের দিন, বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজকে ‘পরিত্যক্ত’ ঘোষণা করে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)।
একাত্তর/আরবিএস
