নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে একটি কার্গোর ধাক্কায় শতাধিক যাত্রী নিয়ে একটি লঞ্চডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুই নারীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের কথা জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল। যাত্রীদের অধিকাংশই স্কুলশিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। তাদের মধ্যে অনেকে সাঁতরে তীরে আসতে পারলেও বেশ কিছু যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
রোববার (২০ মার্চ) বেলা আড়াইটার দিকে বন্দর থানার আল আমিন নগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। এখন পর্যন্ত দুই জনের লাশ উদ্ধার হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, রোববার বেলা আড়াইটার দিকে বন্দর থানার আল আমিন নগর ও সৈয়দপুরের মাঝামাঝি কয়লাঘাট এলাকায় নির্মিতব্য নাসিম ওসমান ব্রিজের কাছে ওই কার্গোর ধাক্কায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত দুই জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া লাশের মধ্যে একজন পুরুষ ও একজন নারী রয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি। এ ঘটনায় বহু হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে।শীতলক্ষ্যার দু’পাড়ে নিখোঁজের স্বজনরা ভিড় করছেন। তাদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠছে আশপাশের পরিবেশ। উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, শীতলক্ষ্যার কয়লাঘাট এলাকায় একটি কার্গো জাহাজ যাত্রীবাহী লঞ্চকে ধাক্কা দেয়। এরপর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই লঞ্চটি ডুবে যায়। লঞ্চটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিল। বেশির ভাগই ছিল শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ১৫-২০ জনের মতো সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও বাকিরা নিখোঁজ রয়েছেন।
বিআইডব্লিউটিএর উপ-পরিচালক (নৌ-নিরাপত্তা বিভাগ) বাবু লাল বৈদ্য জানান, একটি জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চটি ডুবে গেছে। এখনো অনেকে নিখোঁজ। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফীন বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করেছে।
একাত্তর/এসএ
