ঈদের ছুটিতে দেশের বিভিন্ন জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় করছেন দর্শণার্থীরা। দলবেঁধে পরিবার পরিজন আর বন্ধুরা ঘুরে ঘুরে দেখছেন দর্শণীয় স্থান।
তবে, অনেকে অভিযোগ করেছেন, থাকা-খাওয়ার হোটেলের মান এবং দাম নিয়ে। হোটেল ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত দুই বছরের লোকসান এবার পুষিয়ে নিতে পারবেন তারা।
কুয়াকাটার ১৮ কিলোমিটার সমুদ্র সৈকত পর্যটকদের হৈ-হুল্লোড়, সমুদ্র স্নান আর কোলাহলে মুখর। জোয়ারে ঢেউয়ের উচ্ছলতা আর ভাটার সময় সাগরের শান্ত রূপ দেখে মুগ্ধ সবাই।
তবে সেখানকার খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। তাদের অভিযোগ, দাম বেশি নিলেও খাবারের মান একদমই ভালো না। বিকল্পও অনেক কম।
এদিকে হোটেল ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, গত দু’বছরের লোকসান তারা এবার পুষিয়ে নিতে পারবেন। আর ট্যুরিস্ট পুলিশ বলছে, পর্যটকদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা রেখেছেন তারা।
ঈদের ছুটিতে, সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার থিমপার্ক ফ্যান্টাসি কিংডমে প্রতিদিনই থাকছে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়।
বর্ণিল সাজে সাজানো ফ্যান্টাসি কিংডম, ওয়াটার কিংডম, এক্সটিম রেসিং, মেটাল আটলান্টিক ও হেরিটেজ পার্কসহ পাঁচটি বিনোদন কেন্দ্রে আনন্দ করছেন সব বয়সী মানুষ।
প্রকৃতি প্রেমীদের ভিড়ে মুখরিত হয়ে উঠেছে শেরপুর গারো পাহাড়ের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। এছাড়া ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশ ও নালিতাবাড়ীর মধুটিলা ইকোপার্কগুলো সেজেছে অচেনা রুপে।
কোলাহল মুক্ত হওয়ায় এই জায়গাগুলো ভিড় বেড়েছে কয়েকগুণ। সারা বছরই ভৈরবের মেঘনা নদীর তীরে জায়গাগুলোতে ভিড় করেন মানুষ। তবে ঈদ এলেই পরিণত হয় মিলন মেলায়।
একাত্তর/আরবিএস
