শেরপুরের নকলায় নির্মাণাধীন সেতুর পাশ দিয়ে চলাচলের জন্য বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি বিকল্প সাঁকো ভেঙ্গে ধানবোঝাই একটি ভটভটি খাদে পড়ে গেছে।
সোমবার (১৬ মে) দুপুরে উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের নামা কৈয়াকুড়ি-পলাশকান্দি সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে চালকসহ ভটভটিতে থাকা চারজন আহত হয়।
আহতরা হলেন: ভটভটি চালক শাহীন মিয়া (৩৫) ও তার ছেলে আশরাফুল আলম (১০), কৃষক বাদল মিয়া (৩২) ও তার ছেলে সাজিদ (৭)। আহতরা সকলেই কৈয়াকুড়ি কান্দাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তাদেরকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা সূত্রে জানা যায়, দুপুরে ধানবোঝাই ভটভটিটি কৈয়াকুড়ি কান্দাপাড়া বালিগঞ্জ বাজার থেকে নকলা বাজারের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল। এসময় সাঁকোতে ওঠার পর পরই সাঁকোটি ভেঙ্গে ধানবোঝাই ভটভটিটি খাদে পড়ে যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ফিরোজ উদ্দিন জানান, নির্মাণাধীন সেতুর পাশে চলাচলের জন্য বিকল্প সাঁকোটি সঠিক নিয়মে তৈরি না করায় বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে। প্রায় চারমাস পূর্বে এসআরএস কনস্ট্রাকশনের মালিক ঠিকাদার আশরাফুল আলম মিঠু কৈয়াকুড়ি-পলাশকান্দি সড়কে মৃগী নদীর উপর সেতুটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
ঠিকাদার আশরাফুল আলম মিঠু বলেন, সড়কটি দিয়ে অগণিত পথচারী ও হালকা যানবাহনের চলাচল রয়েছে। তাই আমরা সেতুর একপাশে ইট দিয়ে হেরিং বোন রাস্তা তৈরি করে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু স্থানীয় কর্তৃপক্ষের পরামর্শে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে সাঁকো তৈরি করে দেওয়া হয়। গত কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে সাঁকোর খুঁটির নীচের মাটি সরে যাওয়ার কারণে এমনটি ঘটেছে।
এ ব্যাপারে এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী আরেফিন পারভেজ জানান, সেতু তৈরির সময় পানির প্রবাহ চলমান রাখতে সাঁকো দেওয়া হয়। সাঁকোটির দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ ঠিক রয়েছে। তবে সেতুর পাইলিংয়ের কাজ করার সময় পাশের মাটি নরম হয়ে হয়তো এমনটি ঘটতে থাকতে পারে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশে মাটি ও ইটের সুরকি দিয়ে মেরামত করতে ঠিকাদারকে বলা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
একাত্তর/জো
