আমেরিকার নেতৃত্বাধীন পশ্চিমাদের সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য হতে অনেক আগেই আবেদন করে রেখেছিলো ইউরোপের দুই দেশ ফিনল্যান্ড ও সুইডেন।
কিন্তু তাদের যোগদান নিয়ে প্রবল আপত্তি তুলেছিলো তুরস্ক। অবশেষে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এসেছে ন্যাটোর দ্বিতীয় শক্তিশালী দেশ।
ন্যাটোর বৈঠক শুরু হবার আগেই দেশটি লিখিতভাবে জানিয়েছে, নতুন দুই দেশকে সদস্যপদ দেয়া হলে, তাতে কোন আপত্তি থাকবে না আঙ্কারার।
তুরস্কের অবস্থান পাল্টানোর নেপথ্যে আমেরিকার হাত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছিল কয়েকটি মহল থেকে। কিন্তু সেই কথা উড়িয়ে দিয়েছে আমেরিকা। তুরস্ক নিয়ে কোন মন্তব্য করেনি।
রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালানোর পরেই ন্যাটোয় যোগ দিতে তৎপর হয়ে ওঠে হেলসিঙ্কি ও স্টকহোম। মে মাসে ন্যাটোতে যোগ দিতে চেয়ে আনুষ্ঠানিক আবেদনপত্র জমা দেয় দু’দেশ।
কিন্তু তখনই আপত্তি তোলে তুরস্ক। জানিয়ে দেয়, প্রয়োজনে ভেটো প্রয়োগ করে ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোতে যোগদান আটকে দেবে তারা।
তুরস্কের ভেতরে কুর্দি বিদ্রোহীদের সমর্থন করার অভিযোগ তোলা হয় উত্তর ইউরোপের দুই দেশের বিরুদ্ধে। প্রসঙ্গত, কুর্দিদের জঙ্গি সংগঠন হিসাবে চিহ্নিত করে তুরস্কের সরকার।
আরও পড়ুন: এবার বাইডেনের স্ত্রী-কন্যাকে নিষিদ্ধ করলো রাশিয়া
বুধবার থেকেই মাদ্রিদে শুরু হবে ন্যাটোর বৈঠক। তার আগেই নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে বসেছিল তুরস্ক, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, আপত্তি তুলে নেবে তুরস্ক।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের যোগদানের ফলে বাল্টিক সাগর এলাকায় আধিপত্য বাড়বে ন্যাটোর। আগামী দু’ দিনের মধ্যেই সদস্যপদ গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাবে।
