ফেনীতে এক কিশোরীকে ধর্ষণের দায়ে মো: রাজু (২৮) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ওসমান হায়দার চৌধুরীর আদালতে এ রায় ঘোষণা করা হয়।
দণ্ডিত রাজু ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের কেরোনীয়া গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। সে পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি। রাজু এখনও পলাতক রয়েছেন।
জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবত রাজু ভিকটিমের বাড়িতে রাজমিস্ত্রীর কাজে নিয়োজিত ছিলো। ২০১৯ সালের ১ জুন রাত ৮টার দিকে কিশোরীকে পাশের বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে সে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আদালতে সোপর্দ করলে ২২ ধারা জবানবন্দি শেষে অভিভাবকের জিম্মায় দেয়া হয়। এ ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদি হয়ে পরদিন দাগনভূঞা থানায় মামলা দায়ের করে।
পুলিশ রাজুকে গ্রেপ্তার করে আদালতে উপস্থিত করলে সে ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়েছেন মর্মে স্বীকারোক্তি দিলে আদালত ১৬৪ ধারায় তা রেকর্ড করে। পরে রাজু জামিনে মুক্তি নিয়ে পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: ঘানায় প্রাণঘাতী 'মারবার্গ ভাইরাস' শনাক্ত, দুই জনের মৃত্যু
ফেনী জেলা জজ আদালতের পিপি অফিসের সহকারী ইকরামুল হক জানান, এ মামলায় আদালতে ভিকটিমের ২২ ধারা ও আসামীর ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ছিলো। এছাড়াও আদালতে এ মামলায় ৮ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ব্যাঞ্চ সহকারী দেলোয়ার হোসেন জানান, আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ আদালতে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় একমাত্র আসামি রাজুকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা ইস্যু করা হয়।
একাত্তর/আরবিএস
