জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ার পর বাসের ভাড়া সমন্বয় করার পর নতুন ভাড়ার তালিকা হয়নি এখনও। এর সুযোগে বাসে ইচ্ছেমতো বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন বাসচালকরা।
সিএনজি, মোটরসাইকেল ভাড়াও নেয়া হচ্ছে ইচ্ছে মতো। একইভাবে লঞ্চেও নেয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। এতে আয়ের সঙ্গে খরচের সমন্বয় করতে না পেরে বিপাকে সাধারণ মানুষ।
অন্যদিকে নির্ধারিত ভাড়ার চাইতে প্রায় সব দূরপাল্লার রুটেই বেশি ভাড়া দিয়ে টিকিট কিনতে হচ্ছে যাত্রীদের। এখনও অনেক বাস কাউন্টারে দাম বৃদ্ধির তালিকা টানানো হয়নি।
চট্টগ্রাম নগরের নিউমার্কেট থেকে কালুরঘাটের দূরত্ব প্রায় ১১ কিলোমিটার। আগে বাস ভাড়া ১২ টাকা থাকলেও, এখন তিন টাকা বেড়ে ১৫ টাকা নেয়ার কথা।
কিন্তু কোন তালিকা না থাকায় নেয়া হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকা। এনিয়ে বাসচালকরা বলছেন, ভাড়ার তালিকা না হবার কারণে মালিকের নির্দেশ মেনে চলছেন তারা।
একইভাবে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলে এ পথের ভাড়া সর্বোচ্চ ১৩০ টাকা হলেও, নেয়া হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা।
তালিকা না থাকায় যশোরেও মোটরসাইকেলের পাশাপাশি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও বাসে বাড়তি ভাড়া গুণতে হচ্ছে যাত্রীদের।
মানিকগঞ্জেও বাস ভাড়া নেয়া হচ্ছে ইচ্ছেমতো। একইভাবে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে লঞ্চ ভাড়া ১০টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ৪৫ টাকা।
শেরপুর থেকে ঢাকায় আসা নন-এসি বাসের ভাড়া ৫০০ টাকা এবং এসি বাসের ভাড়া ৬৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কুমিল্লায় ভাড়া বাড়ানোয় বাসস্ট্যান্ডগুলোতে দেখা গেছে যাত্রী অসন্তোষ। তারা বলছেন,আয়-ব্যয়ের সমন্বয় করতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।
ভাড়া নিয়ে নেত্রকোণায় বাগবিতণ্ডা হচ্ছে যাত্রীদের সাথে বাসের সহকারীদের। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর বাসের ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ঝিনাইদহের যাত্রীরা।
আরও পড়ুন: অক্টোবর থেকে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস
রাঙামাটি শহরে অটোরিকশার ভাড়া বেশি নেওয়ায় কয়েকটি এলাকায় চালক ও যাত্রীদের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়েছে। পরে বাসসহ অটোরিকশা বন্ধ হয়ে যায়
সুনামগঞ্জ থেকে সিলেটে বিরতিহীন বাসের ভাড়া ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০, এসি বাস (নিলাদ্রী) ৩০ টাকা বাড়িয়ে ১৯০ আদায় করা হয়েছে।
গত বছর দূরপাল্লার বাসে ভাড়া বাড়ানো হয়েছিলো ২৭ শতাংশ। এবার বাড়ানো হয়েছে ২২ দশমিক ২২ শতাংশ।
একাত্তর/এসি
