নতুন করে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপে আবারও ফুঁসে উঠেছে বঙ্গোপসাগর। সকাল থেকে উপকূল জুড়ে বৃষ্টি হচ্ছে, জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে বহু গ্রাম। পায়রাসহ সমুদ্র বন্দরগুলোকে তিন নম্বর স্থানীয় সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের প্রভাবে রোববার সকাল থেকেই পটুয়াখালীর রাঙ্গা-বালিতে মাঝারি ও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। সে সাথে বইছে দমকা বাতাস।
এরমধ্যে ভাঙা বাঁধ দিয়ে জোয়ারের পানি ঢুকে প্লাবিত হয়েছে উপজেলার মধ্য চালিতাবুনিয়া, গরুভাঙা, চিনাবুনিয়া, চরআন্ডা ও কোড়ালিয়া লঞ্চঘাট গ্রামসহ বেশ কয়েকটি নিচু এলাকা। পানিবন্দি হয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন হাজারো মানুষ।
এদিকে চরমোন্তাজ স্লুইস ঘাট, সোনারচর, মৌডুবিসহ কয়েকটি এলাকায় ট্রলার নিয়ে তীরে এসে আশ্রয় নিয়েছে মাঝিমাল্লারা। তবে এখনও সাগরে আছে অনেক জেলে।
মোংলার উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টিসহ ঝড়ো বাতাস বইছে। তবে, স্বাভাবিক রয়েছে মোংলা বন্দরের আমদানি রপ্তানি।
কলাপাড়ায় রাত থেকে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। তিন নদীর জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে ১৪টি গ্রাম। এছাড়া পৌর শহরে জোয়ারের পানি ঢুকে ডুবে গেছে বাসা বাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
লঘুচাপে উপকূলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ২ থেকে ৪ ফুট জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে জানিয়েছে মোংলা আবহাওয়া অফিস।
আরও পড়ুন: সুন্দরবনে বাড়ছে পানি, ফিশিং বোটের আশ্রয় খালে
আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, মৌসুমি বায়ু দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অত্যন্ত সক্রিয় এবং দেশের অন্যত্র তা সক্রিয় রয়েছে। মৌসুমি বায়ু উত্তর বঙ্গোপসাগরের প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এর প্রভাবে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
একাত্তর/এসজে
