নারায়ণগঞ্জে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে যুবদলের এক কর্মী নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।
এ সময় গুলিতে শাওন (২০) নামের ওই যুবদল কর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ বিএনপির। তবে শাওন পুলিশের গুলিতেই নিহত হয়েছেন কিনা তা সঠিকভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
নিহত শাওন যুবদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তার বাবার নাম শাহেদ আলী।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে বিএনপির ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শোভাযাত্রা বের করতে গেলে বাধা দেয় পুলিশ। এ সময় বিএনপি নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। বিপরীতে রাবার বুলেট, টিয়ার শেল ও গুলি ছোড়ে পুলিশ।
শাওনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের (ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল) দায়িত্বরত চিকিৎসক নাজমুল হোসেন।
তিনি বলেন, শাওন মাহমুদকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়। লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল গণমাধ্যমকে বলেন, পূর্বানুমতি ছাড়া বিএনপি নেতা-কর্মীরা সড়ক অবরোধ করেন। পুলিশ তাদের সরাতে চাইলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে বৃষ্টির মতো ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে জানমাল রক্ষার্থে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ও শর্টগানের গুলি ছোড়ে।
সংঘর্ষে যুবদলের কর্মী শাওন মাহমুদের মৃত্যুর বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, এ বিষয়ে তারা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি।
আরও পড়ুন: রাজধানীতে পুলিশের অভিযানে ৫৪ জন গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মামুন মাহমুদ বলেন, পুলিশ অতর্কিতভাবে তাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে লাঠিপেটা করেছে। এরপর শটগানের গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করেছে। এতে একজন গুলিবিদ্ধসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। যুবদলের গুলিবিদ্ধ কর্মী শাওন মাহমুদকে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান।
একাত্তর/এআর/আরএ
