আবারও বাড়ছে করোনার প্রকোপ। চলতি মাসের শুরুতে দিনে গড়ে দুই থেকে আড়াইশ’ শনাক্ত হলেও এখন প্রতিদিনই ছয়শ’র বেশি শনাক্ত হচ্ছে।
গত সাত দিনেই সারাদেশে আক্রান্ত হয়েছেন তিন হাজার ৮৬ জন। তার আগের সপ্তাহে এই সংখ্যা ছিলো দুই হাজার ৩৩৬ জন। অর্থাৎ, এক সপ্তাহে ৩২ শতাংশ বেড়েছে সংক্রমণ।
আর মঙ্গলবার একদিনেই মারা গেছে পাঁচ জন। করোনার প্রকোপ বাড়ার কারণ হিসেবে এবারও করোনা ভাইরাসের ওমিক্রণ ধরণকেই দায়ি করা হচ্ছে।
কিন্তু মিউটেশনের কারণে এবার ভিন্ন রূপে হাজির হচ্ছে করোনা। তবে আতঙ্ক নয়। মাস্কেই সুরক্ষা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
ডেঙ্গু আর শিশুদের ফ্রুট পক্সের প্রকোপের মধ্যেই আবারও বাড়ছে করোনা। চলতি মাসের শুরু থেকেই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে।
দ্বিতীয় সপ্তায় পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ছাড়ায় পাঁচ শতাংশ। আর তৃতীয় সপ্তায় শনাক্তের হারটা থাকছে ১০ শতাংশের ওপরে। প্রতিদিন গড়ে হচ্ছে আক্রান্ত ৬০০ থেকে ৬০০ মানুষ।
গেলো জুনেও করোনার ওমিক্রণ ধরণের কারণে শনাক্তের ঊর্ধ্বগতি ছিলো। জুলাই মাসে যেখানে রোগী শনাক্ত হয়েছিলো ত্রিশ হাজারেরও বেশী। আগস্টে আক্রান্ত সাড়ে ছয় হাজার।
কিন্তু সেপ্টেম্বরের ২০ দিনেই শনাক্তের সংখ্যা প্রায় সাত হাজারের কাছাকাছি। ২০ দিনে মারা গেছেন ২২ জন। এবারও ঊর্ধ্বগতির কারণ করোনা ভাইরাসের ওমিক্রণ ধরণ।
আরও পড়ুন: এসএসসি’র প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ, তিন শিক্ষক আটক
কোভিড-১৯ প্রতিরোধে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি বলছে, আতঙ্ক নয়। বরং সাবধান হয়েই একে মোকাবেলা করতে হবে। মাস্কেই সুরক্ষা- আবারও বললেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে নভেম্বরের শেষে বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে আবারও শুরু হচ্ছে করোনার প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা দেওয়া। বাদ পড়াদের টিকা নেয়ার আহবান জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
একাত্তর/এসি
