পটুয়াখালীর দশমিনায় এক শারীরিক প্রতিবন্ধী এসএসসি পরীক্ষার্থীর স্নাতক পড়ুয়া শ্রুতিলেখক তথ্য গোপন করে ধরা পড়ার পর তাকে জরিমানা ও কেন্দ্রসচিবসহ ওই পরীক্ষার্থীকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) উপজেলার আলীপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, আলীপুর ইউনিয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভূগোল ও পরিবেশ বিষয়ের পরীক্ষা চলাকালে এক শারীরিক প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীর শ্রুতিলেখকের মাধ্যমে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। এসময় কক্ষ পরিদর্শক চাঁদপুরা এবিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বিপ্লব সাহা শ্রুতিলেখককে চ্যালেঞ্জ করলে তিনি বিএম কলেজের স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী বলে স্বীকার করেন। অথচ বোর্ডের নীতিমালা অনুযায়ী সর্বোচ্চ অষ্টম শ্রেণী পড়ুয়া কেউ এসএসসি পরীক্ষায় শ্রুতিলেখক হতে পারবে।
পরে দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তথ্য গোপন করায় শ্রুতিলেখককে অর্থদণ্ড এবং কেন্দ্র সচিব সালাউদ্দিন সৈকত ও ওই পরীক্ষার্থীকে আগামী দুই বছরের জন্য বহিষ্কারের সুপারিশ করেন।
আরও পড়ুন: সারের ব্যাগে ১০ স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক
দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন আল হেলাল জানান, শ্রুতিলেখককে দশমিনা সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী দেখিয়ে শ্রুতিলেখক হিসেবে প্রত্যায়ন করেছিলেন ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও ওই কেন্দ্রসচিব সালাউদ্দিন সৈকত। এজন্য শিক্ষার্থী ও কেন্দ্রসচিবকে বহিষ্কারের জন্য সুপারিশ ও তথ্য গোপন করায় শ্রুতিলেখককে জরিমানা করা হয়েছে।
একাত্তর/জো
