তুরস্কের উত্তরাঞ্চলের বার্তিন প্রদেশে একটি কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে কমপক্ষে ২৮ জন নিহত হয়েছে। বিস্ফোরণের পর মাটির নিচে আটকা পড়েছেন বহু মানুষ।
শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) কৃষ্ণসাগর উপকূলে আমাসরাতে মাটির প্রায় ৩০০ মিটার গভীরে এ বিস্ফোরণ ঘটে। তখন খনিতে কাজ করছিলেন ১১০ জনের মতো শ্রমিক।
তুরস্কের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ফাহরেতিন কোকা জানান, এখন পর্যন্ত ১১ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তাদেরকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
মাটির নিচে আটকা পড়াদের উদ্ধারে রাতভর অভিযান চালিয়েছে উদ্ধার কর্মীরা।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, কালিমাখা অবস্থায় আহত শ্রমিকরা উদ্ধারকর্মীদের সহায়তায় খনি থেকে বের হয়ে আসছেন। নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজে খনির বাইরে ভিড় করেছেন স্বজনরা।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমান সোয়লু জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের সময় খনির সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অংশ ৩০০ থেকে ৩৫০ মিটারের মধ্যে অবস্থান করছিলেন প্রায় ৪৯ জন শ্রমিক। তাদেরকে এখনও উদ্ধার করা যায়নি।
বিস্ফোরণের কারণ এখনও জানা না গেলেও, এ ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
তবে তুরস্কের জ্বালানিমন্ত্রী জানিয়েছেন, 'ফায়ারড্যাম্পের' কারণে এ বিস্ফোরণ ঘটে থাকতে পারে। কয়লা খনিতে মিথেন গ্যাস এক ধরনের বিস্ফোরক মিশ্রণ তৈরি করলে ফায়ারড্যাম্প সৃষ্টি হয়।
খনির ভেতরের কিছু কিছু অংশে ধস নেমেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ভেতরে আগুন জ্বলছে না এবং বায়ুচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
আরও পড়ুন: ইরানে পুলিশের যৌন নিপীড়নের শিকার বিক্ষোভকারী
এদিকে, শনিবার (১৫ অক্টোবর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করবেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিচেপ তায়েপ এরদোগান।
তুরস্কের সবচেয়ে ভয়াবহ কয়লা খনি দুর্ঘটনা ঘটে ২০১৪ সালে। সেবার সোমা শহরে একটি কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ৩০১ জনের মৃত্যু হয়।
একাত্তর/এসজে
